ইসরায়েলি হামলায় তেহরানে ইহুদিদের প্রার্থনাস্থল ‘পুরোপুরি ধ্বংস’

স্টার অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় আজ মঙ্গলবার ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানে ইহুদিদের একটি সিনাগগ বা প্রার্থনাস্থল ‘পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে’।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি ও দেশটির সংষ্কারপন্থি সংবাদমাধ্যম শার্ঘ-এর বরাত দিয়ে ইহুদিদের প্রার্থনাস্থল ধ্বংসের তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি।

শার্ঘ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘প্রাথমিক তথ্য মতে, আজ সকালের হামলায় “রাফি-নিয়া সিনাগগ” পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।’

ইরানের রাষ্ট্র-স্বীকৃত ধর্মগুলোর অন্যতম ইহুদি ধর্ম। এই ধর্মের গ্রন্থগুলোয় ইরানের প্রাচীন ঐতিহ্য ও সম্রাটদের নাম উল্লেখ করা আছে। তাই ইহুদিদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক সুদীর্ঘকালের।

ইরানে ইহুদিরা সংখ্যালঘু হলেও এই ধর্মের অনুসারীরা অন্তত ৩ হাজার বছর ধরে এই দেশটিতে বসবাস করছে। তবে ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর অনেক ইহুদি ইরান ছেড়ে চলে যান।

 

আনুষ্ঠানিক তথ্য না থাকলেও ধারণা করা হয়, ইরানে কয়েক হাজার ইহুদি বসবাস করেন।

ওই সিনাগগটিকে খোরাসান প্রদেশের ইহুদিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রার্থনাস্থল আখ্যা দেয় সংবাদমাধ্যম শার্ঘ। সেখানে ইহুদিরা জমায়েত হয়ে তাদের বিভিন্ন উৎসব উদযাপন করেন।

ইরানের বেশিরভাগ মানুষ শিয়া মতবাদের অনুসারী। তবে দেশটির সংবিধানে সুন্নি, পার্সি, ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের ‘সংখ্যালঘু’ ধর্ম পালনকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্টে প্রতিটি ধর্মের প্রতিনিধি হিসেবে অন্তত একজন আইনপ্রণেতাকে স্থান দেওয়া হয়।