দ. কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীনা-রুশ সামরিক বিমান, পাল্টা যুদ্ধবিমান পাঠাল সিউল
দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন ও রাশিয়ার ১০টিরও বেশি সামরিক বিমান প্রবেশ করেছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তৎক্ষণাৎ সেখানে যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে সিউল।
আজ শনিবার এ ঘটনা ঘটে বলে বার্তাসংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।
সিউলের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জানিয়েছে, চীন ও রাশিয়ার সামরিক বিমানগুলো পূর্ব সাগর ও দক্ষিণ সাগরের ওপর কোরিয়া এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে (কেএডিআইজেড) প্রবেশ করে পরে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়।
এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, চীনা ও রুশ বিমানগুলো ওই অঞ্চলে প্রবেশের আগেই দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী সেগুলো শনাক্ত করে এবং যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিতে সেখানে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে।
তবে, চীনা ও রুশ সামরিক বিমানগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি বলেও এতে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চল কোনো সার্বভৌম আকাশসীমা নয়। এটি এমন একটি এরিয়া যেখানে দেশগুলো নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে অন্য কোনো উড়োজাহাজ শনাক্ত করে থাকে।
সামরিক বিমানগুলো সাধারণত কোনো দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশের আগে সংশ্লিষ্ট দেশকে অবহিত করবে বলেই প্রত্যাশা করা হয়। যদিও আইনগতভাবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।
চীন ও রাশিয়া বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে এএফপি।
এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চীন ও রাশিয়ার নয়টি সামরিক বিমান কেএডিআইজেডে প্রবেশ করলে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। ওই ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বেইজিং ও মস্কোর কাছে প্রতিবাদ জানায়। আর জাপান তাদের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে।
তবে ওই ঘটনায় চীন ও রাশিয়া বলেছিল, এটি পূর্ব সাগর ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর তাদের যৌথ টহলের অংশ ছিল।