আবারও আকাশে ওড়ার পরিকল্পনা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের

By স্টার অনলাইন রিপোর্ট
3 January 2023, 14:47 PM

আবারও আকাশে ওড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। যত দ্রুত সম্ভব ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটির নতুন পরিচালনা পর্ষদ।

আজ মঙ্গলবার ২০২১-২২ সালের ১৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় বেসরকারি বিমান সংস্থাটি তাদের এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির ২০১৬ সাল থেকে মুলতবি থাকা আরও ৬টি এজিএমও অনুষ্ঠিত হয়। যা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানি রেগুলেশন পূরণের জন্য অপরিহার্য।

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের নতুন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কাজী ওয়াহিদুল আলম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বোর্ড শেয়ারহোল্ডারদের এয়ারলাইন্সটিকে পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে কার্গো অপারেশনের মাধ্যমে এবং পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে যাত্রীসেবা শুরু করার মধ্য দিয়ে।'

তিনি জানান, 'আজকের সভায় নতুন অগ্রগতি হয়েছে এয়ারলাইন্সটির কার্যক্রম আবার শুরু করার।'

'আমরা সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এখন আমাদের সরকারের সহায়তা প্রয়োজন কারণ এয়ারলাইন্সটি বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাওনা রয়েছে। এই দেনা মওকুফ ছাড়া এয়ারলাইন্সটির কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা সম্ভব নয়,' তিনি যোগ করেন।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ এবং সাপ্তাহিক মনিটরের সম্পাদক ওয়াহিদুল বলেন, 'বর্তমান স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ দেশের বিদ্যমান নিয়মকানুন মেনে চলার সাথে সাথে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এয়ারলাইন্সটিকে অপারেশনে ফিরিয়ে আনতে চাইছে।'

সভায় উপস্থিত ছিলেন পর্ষদের পরিচালক অধ্যাপক ড. এম সাদিকুল ইসলাম, অধ্যাপক মো. মাকসুদুর রহমান সরকার, ড. মো. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, সৈয়দ এরশাদ আহমেদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম নজরুল ইসলাম।

উল্লিখিত সমস্ত বছরের নিরীক্ষক প্রতিবেদন এবং কোম্পানির আর্থিক বিবরণী এজিএমে উপস্থাপন করা হয় এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে অনুমোদন পায়।

এজিএমে কয়েকশ শেয়ারহোল্ডার অংশ নেন এবং এয়ারলাইন্সটিকে কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের জন্য বর্তমান বোর্ডের প্রশংসা করেন।

২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিটি ২০১০ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত হয়। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এর পরিচালকদের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ক্রমবর্ধমান লোকসানের মধ্যে এটি কোনো ঘোষণা ছাড়াই ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দেয়।