ডাকরা গণহত্যা / কয়েকশ হিন্দুকে গলা কেটে হত্যা করে রাজাকারেরা
২১ মে ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
ইতিহাস-ঐতিহ্য
চা শ্রমিকের রক্তে মেঘনা লাল হয়েছিল সেদিন
২০ মে ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
ইতিহাস-ঐতিহ্য
চুকনগর গণহত্যা: লাশের স্তূপে থেমে যায় ভদ্রা নদীর স্রোত
২০ মে ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
ইতিহাস
দ্য গার্ডিয়ানের ‘সর্বকালের সেরা ১০০ উপন্যাসের’ কয়টি পড়েছেন?
১৮ মে ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
সাহিত্য
মৃত্যুর ১৪০ বছর / অক্ষয়কুমার দত্তকে জানা কেন জরুরি?
১৮ মে ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
সাহিত্য
অন্য এক ইলিয়াস
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তার লেখালেখির প্রথম দিকে ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’ শিরোনামে একটি গল্প লিখেছিলেন। একটি অসাধারণ পঙক্তি দিয়ে গল্পটি শুরু হয়। ‘এই মনোরম মনোটোনাস শহরে অনেকদিন পর আজ সুন্দর বৃষ্টি হলো।’
৪ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
বরেণ্য কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ২০২১ সালের এই দিনে প্রয়াত হন।
৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
সৈয়দ শামসুল হকের খোঁজে
কথাগুলো লেগেছিল পরানের গহিন ভিতরে। যিনি লিখেছিলেন, তিনি সৈয়দ শামসুল হক- থেকে গেলেন মরমের মন্দিরে। তারুণ্যের প্রথম প্রহরে দুর্দান্ত এই আবেগের কাছে পরাস্ত না হয়ে পারা যায়নি। এক টানে পড়া শেষ হয়ে গিয়েছিল ‘পরানের গহীন ভিতরে’ বইটি। স্মৃতির ভেতর ঢুকে পড়েছিল অনেক অনেক উড়ন্ত লাইন।
২৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
আপসহীন বদরুদ্দীন উমর
নব্বইতম জন্মদিন অতিক্রম করছেন বদরুদ্দীন উমর। ১৯৩১ সালে ২০ ডিসেম্বর ভারতের বর্ধমানে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। গাছের ডালপালার মতোই সবুজ আর বিস্তৃত তার পরিবার।
২০ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:১১ অপরাহ্ন
সংস্কৃত পালি আরবি ফারসি: ভাষার সংকট ও সম্ভাবনা
কিছু দিন আগে একটি খবর বেশ শোরগোল তুলেছিল: সংস্কৃত ভাষায় উচ্চ শিক্ষাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সংস্কৃত বলতে ও লিখতে পারেন না। হাসির জোগান দিলেও আলোচনাটি যৌক্তিক আলাপের কোনো ভিত্তি তৈরি করতে পারেনি। মৃত ভাষা নিয়ে কিছু দিন হেসে খবরটি নিজেই মৃত হয়ে গেছে। অথচ প্রশ্ন উঠতে পারত যে, ভাষা মরে যায় কেন? একটি মৃত ভাষা কি একেবারেই গুরুত্বহীন? কেন সংস্কৃত শিখতে হবে? সংস্কৃত শিক্ষার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চাহিদা কী? বছরের পর বছর ধরে বাঙালিরা আরবি শিখেছে; তাতে কি বাংলাদেশে আরবি ভাষাচর্চা বৃদ্ধি পেয়েছে? পালি ভাষার কী পরিস্থিতি? ফারসি ভাষা শিখে লোকেরা কী করছে? বাংলাদেশের প্রধান তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃত, পালি, আরবি, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য পড়ানো হয় কেন? এসব প্রতিষ্ঠানের ভাষা বিষয়ক বিভাগগুলোর কর্মকাণ্ড বিষয়ে কি গবেষণা হয়েছে?
১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
দুজন সোনার মানুষ ও সমকালীন বুদ্ধিজীবীর দায়
মানুষের সাধনা যতটা নিজেকে নিয়ে তার চেয়ে বেশি অপরকে নিয়ে অপরের কল্যাণে। এটা কেবল মানুষের ক্ষেত্রে নয় সকল প্রাণের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য। মানুষ যেহেতু প্রাণের ভরকেন্দ্রে অবস্থিত এবং অন্যকে নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার অধিকারী ও জীবনের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে, ফলে তাকে ঘিরেই আবর্তিত হয় জাগতিক পৃথিবীর কল্যাণ, প্রগতি, সভ্যতার অগ্রগতি ও মানুষের মুক্তি—যা নিশ্চিত করতে পারে সোনার মানুষেরা—দেশ ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীরা। লালনের সোনার মানুষেরা সোনার রাংতায় মোড়ানো নয়, তারা জীবনের ব্রতে, কর্মের সাধনায় বুদ্ধিজীবীর দায়ে সংশপ্তকের ভূমিকায় উত্তীর্ণ-অবতীর্ণ-জারি রাখা মহত্তর এক মানুষ।
১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:২৪ অপরাহ্ন
কী শিখেছি এতো বছরে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে আমার প্রবেশ বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের বছরে। তারপরে অনেক ঘটনা ঘটেছে ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত জীবনে। কিন্তু সেই যে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা, সেখান থেকে আর সরা হয়নি। ইচ্ছে করেই সরিনি। কিন্তু কি শিখেছি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে? এক কথায় বলতে গেলে, বিশেষভাবে শিক্ষাপ্রাপ্ত হয়েছি দুটি ব্যাপারে। একটি গ্রন্থমনস্কতা অপরটি সামাজিকতা। আলাদা আলাদাভাবে নয়, এক সঙ্গেই। ওই দুই বস্তু আমার ভেতর কতটি ছিল জানি না, যতটুকু ছিল তারা উভয়েই যে বিকশিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্রয়ে ও প্রশ্রয়ে, তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।
১১ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্ম ও শতবর্ষী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট
বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্ম কী, প্রধানত এবং সর্বোপরি? কোনো প্রকার গৌরচন্দ্রিকা ছাড়া এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায় এভাবে। তার আগে পরিষ্কার হওয়া দরকার, এখানে ধর্ম বলতে মূলত কাজকেই বোঝানো হচ্ছে, যদিও কাজের চেয়ে ‘ধর্ম’ শব্দবন্ধের অর্থ আরও গভীর এবং বিস্তারও বেশি। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী? প্রধানত তিনটি। এক. পড়ানো, দুই. গবেষণা, তিন. নতুন চিন্তা উৎপাদন।
৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
একে একে নিভিছে দেউটি
‘রফিকুল ইসলাম’ নামটির সঙ্গে আমার পরিচয় ১৯৮৮ সালের দিকে। প্যারিস থেকে ইন্ডোলজিতে স্নাতকোত্তরের পাঠ শেষ করে প্রথমবার দেশে ফিরেছি। ভাষাবিজ্ঞানে কিঞ্চিৎ আগ্রহ বোধ করছিলাম এবং বাংলা ভাষায় লেখা ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত স্যারের ‘ভাষাতত্ত্ব’ বইটা পড়ে ফেললাম। এদিক থেকে দেখলে পরিচয় না থাকা সত্ত্বেও রফিক স্যারই আমার ভাষাবিজ্ঞানের প্রথম গুরু। অনেকটা মহাভারতের দ্রোণাচার্য একলব্যের কাহিনীর মতো।
৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
স্পিভাক: চিন্তাবিশ্বে যুক্তি ও কল্পনার চৌহদ্দি
যুক্তি ও কল্পনার শক্তি যে কতটা বহুমাত্রিক এবং দুঁদে হয়ে উঠতে পারে, তা গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক পাঠ না করলে অজানা থেকে যেত। বর্তমান চিন্তকদের মধ্যে তিনি যেমন স্বতান্ত্রিকধারার প্রতিনিধি উঠেছেন তেমনি নিজেকে উচ্চকিত করেছেন স্বল্প কর্ষিত ধারাটির একজন স্বার্থক উদ্গাতা ও মৌলিক চিন্তার প্রতিভূরূপে।
৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
নভেম্বর রেইন
নভেম্বর রেইন শীতের পাশে আমার ভেতরে গাছের উচ্চতায় মাথা তুলছে, লফিয়ে নামছে লাখ লাখ যুদ্ধফেরত ভীরু। সেই তীব্র হাওয়াবাজির ত্রস্তপীড়নে, ভয় পাওয়া ঘুমের ঘোরে, জ্বলজ্বলে সিগারেটের অঙ্গার ফেলে আসা আলিঙ্গনের মধ্যে পুড়ে যাচ্ছে, ছাই হয়ে যাচ্ছে সমস্ত মোবাইলের যৌনাকাঙ্ক্ষা—এই নভেম্বরে।
১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
এপিটাফ
এখানে যে শুয়ে আছে, বেঁচে ছিল বাঙালির গড় আয়ু নিয়ে।
১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
সংস্কৃতির ব্যাপারটা কতটা জরুরি
আমাদের দেশে ২টি বড় ট্রাজেডি ঘটেছে। প্রথমটি ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধ, দ্বিতীয়টি ১৯৪৭ সালে দেশভাগে। সেই দেশভাগ সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, এমনকি প্রাকৃতিকভাবে আমাদের ভাগ করে যে ক্ষতি করেছে তা পূরণ হওয়ার নয়। অন্নদাশঙ্কর রায়ের কবিতাটা মনে আছে? শিশুটি তেলের একটি শিশি ভেঙে ফেলেছে। কবি বলছেন, ‘তেলের শিশি ভাঙলো বলে শিশুর উপর রাগ করো/ তোমরা যে সব বুড়ো খোকা ভারত ভেঙে ভাগ করো তার বেলা?’ বুড়ো খোকারা ভারত ভেঙে ভাগ করেছে, ইংরেজ প্ররোচনা দিয়েছে। কেমন করে সাংস্কৃতিকভাবে এই ভাঙা-ভাঙির ব্যাপারটা কাজ করেছে তার নানান দৃষ্টান্ত আমরা নানান জায়গায় পাব।
১ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
সংস্কৃতির ব্যাপারটা কতটা জরুরি
আমাদের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখব, আমরা দীর্ঘকাল সংগ্রাম করেছি। এই সংগ্রামে সমাজতন্ত্রীরা ছিলেন, জাতীয়তাবাদীরা ছিলেন। পার্থক্য হচ্ছে, জাতীয়তাবাদীরা ছিলেন পুঁজিবাদী এবং সমাজতন্ত্রীরা ছিলেন সামাজিক মালিকানায় বিশ্বাসী। নানান ঐতিহাসিক কারণে সমাজতন্ত্রীরা জয়ী হতে পারেননি। জাতীয়তাবাদীরা, পুঁজিবাদীরা জয়ী হয়েছেন। পুঁজিবাদীরা জয়ী হলে কি পরিণতি হয় তা আজকে ৪টি গানের মধ্যে আমাদের এই শিল্পী বন্ধু উন্মোচিত করে দিয়েছেন। এটিই হচ্ছে পরিণতি। আমরা পুঁজিবাদের মধ্যে এই চরিত্রটা দেখব রবার্ট লুই স্টিভেনশনের একটি গল্পে। গল্পটা হয়ত আপনারা অনেকেই জানেন। নাম ড. জেকিল অ্যান্ড মিস্টার হাইড। ড. জেকিল খুব বড় মাপের একজন চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, সন্ন্যাসীর মতো মানুষ। তার কোনো শত্রু নেই, সারাক্ষণ গবেষণা করেন। মানুষের উপকারে গবেষণা করেন। কিন্তু তার ভেতরে আর একটা মানুষ আছে, সেই মানুষটা মি. হাইড।
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
আমাদের জাগরণের প্রথম সুর তোলেন নজরুল: অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম একজন লেখক, ভাষাতত্ত্ববিদ, গবেষক ও শিক্ষক। তার জন্ম ১৯৩৪ সালের ১ জানুয়ারি চাঁদপুরের মতলব উপজেলার কলাকান্দায়। বাংলাদেশের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক নজরুল গবেষক হিসেবে তিনি সম্মানিত।
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
সংস্কৃতির ব্যাপারটা কতটা জরুরি
শতবছর আগে রুশ দেশে যে বিপ্লব হয়েছিল সে বিপ্লবের তাৎপর্য সাংস্কৃতিকভাবে তুলে ধরা আজকে খুবই প্রয়োজনীয়। কিছু কিছু অনুষ্ঠানের শুরুতে আমরা কিছু মূল্যবান গান শুনে থাকি। সে গানগুলোতে সমাজ বাস্তবতা উন্মোচিত হয়। সে সব শিল্পী চর্মচক্ষে দেখতে পান না হয়তো, কিন্তু মনের মধ্যে স্পষ্ট দেখেন দেশের অবস্থাটা এখন কী। গানগুলো একটা কথাই বলে—আমরা আছি পুঁজিবাদী ব্যবস্থার যে চরম রূপ, তার ভেতরে। আমি এই কথাটায় আবার ফিরব।
২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
শনিবারের চিঠির নীরদ চৌধুরী
নীরদচন্দ্র চৌধুরী ইংরাজিতেই লিখিতেন। ভালো ইংরাজি লিখিতে পারেন বলিয়া তাহার বেশ খানিকটা আত্মতৃপ্তি ছিল। তবে তাহার বাংলা রচনার কথাও উল্লেখযোগ্য। তাহার প্রথম বাংলা বই ‘বাঙালী জীবনে রমণী’ প্রকাশিত হইয়াছিল ১৯৬৮ সালে। দিল্লীবাসী নীরদ চৌধুরীর বয়স তখন প্রায় ৭১ বৎসর। এ প্রসঙ্গে তিনি লিখিয়াছেন, ‘এ পর্যন্ত আমি বাংলা বই লিখি নাই, এই আমার প্রথম বই। পঞ্চাশ বৎসর বয়সে ইংরেজিতে প্রথম বই লিখিতে আরম্ভ করিয়াছিলাম, সত্তর বৎসর বয়সে বাংলায় লিখিলাম।’ বাংলায় লেখা তাহার কয়েকটি বই বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে তাহাকে প্রচণ্ড ভাবে জনপ্রিয় করিয়া তুলিয়াছিল। এইগুলি হইল আত্মঘাতী বাঙালি, আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ, আমার দেবোত্তর সম্পত্তি, আজি হতে শতবর্ষ আগে, আমার দেশ আমার শতক।
২৩ নভেম্বর ২০২১, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
মন্বন্তরের চার্চিলের সত্য মিথ্যা
বিশ্ব ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র চার্চিল। পুরো নাম উইনস্টন চার্চিল। ব্রিটিশদের কাছে পরম পূজনীয়। ‘সর্বকালের সেরা ব্রিটিশ’ বলে বিবেচিত। সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্র শক্তির বিজয়ের মহান কারিগররূপে সর্বজনমান্য। ব্রিটিশদের দুঃসময়ের পরীক্ষিত বন্ধু ও জনতুষ্টি অর্জন করা এক রাষ্ট্রনায়ক। পাশাপাশি পাঠক চিত্তে মুগ্ধতা ছড়ানো ও আলোড়ন তৈরিতে সক্ষম একজন লেখক।
২৩ নভেম্বর ২০২১, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
মুদ্রণশিল্প ও প্রকাশনা শিক্ষার ভবিষ্যৎ
মুদ্রণশিল্প ও প্রকাশনা বর্তমান বিশ্বে একটি অগ্রসরমান মাধ্যম- যা প্রতিনিয়ত আধুনিকতর রূপে বিকশিত হচ্ছে এবং নবতর চিন্তা ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সমন্বয়ে দ্রুত রূপাদল পরিবর্তিত হচ্ছে। বাংলাদেশও প্রযুক্তির এই পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিল্প, বিজ্ঞান, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিশ্বের সঙ্গে সমান তালে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। এ সকল ক্ষেত্রে প্রকাশনা-মাধ্যম সবসময় গুরুত্ববহ ভূমিকা পালন করে এসেছে।
২২ নভেম্বর ২০২১, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
সুফিয়া কামাল: কেন তাকে মনে রাখবো
ছোট্ট একটা স্মৃতি। ক্লাস থ্রি-ফোরে পড়ি। বাংলা বইয়ে একটা কবিতা ছিল নাম ‘আজিকার শিশু’, কবি সুফিয়া কামাল। মুখস্থ করতে গিয়ে দেখি কিছুই মনে থাকে না। কিন্তু আমাদের পড়াতে পড়াতে ছন্দের তালে তালে আম্মা স্মৃতি থেকে শুনিয়ে দেন, ‘আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা,/ তোমরা এ যুগে সেই বয়সেই লেখাপড়া কর মেলা।’ কিংবা ‘তোমরা যখন খেলিছ পুতুল খেলা...’ ‘বহু দিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লী মায়ের কোল/ যেথা ঝাউ শাখে বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল।’ মনে মনে ভাবি, আম্মাদের ছোটবেলার কবি!
২০ নভেম্বর ২০২১, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
অন্য এক ইলিয়াস
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তার লেখালেখির প্রথম দিকে ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’ শিরোনামে একটি গল্প লিখেছিলেন। একটি অসাধারণ পঙক্তি দিয়ে গল্পটি শুরু হয়। ‘এই মনোরম মনোটোনাস শহরে অনেকদিন পর আজ সুন্দর বৃষ্টি হলো।’
৪ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
বরেণ্য কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ২০২১ সালের এই দিনে প্রয়াত হন।
৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
সৈয়দ শামসুল হকের খোঁজে
কথাগুলো লেগেছিল পরানের গহিন ভিতরে। যিনি লিখেছিলেন, তিনি সৈয়দ শামসুল হক- থেকে গেলেন মরমের মন্দিরে। তারুণ্যের প্রথম প্রহরে দুর্দান্ত এই আবেগের কাছে পরাস্ত না হয়ে পারা যায়নি। এক টানে পড়া শেষ হয়ে গিয়েছিল ‘পরানের গহীন ভিতরে’ বইটি। স্মৃতির ভেতর ঢুকে পড়েছিল অনেক অনেক উড়ন্ত লাইন।
২৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
আপসহীন বদরুদ্দীন উমর
নব্বইতম জন্মদিন অতিক্রম করছেন বদরুদ্দীন উমর। ১৯৩১ সালে ২০ ডিসেম্বর ভারতের বর্ধমানে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। গাছের ডালপালার মতোই সবুজ আর বিস্তৃত তার পরিবার।
২০ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:১১ অপরাহ্ন
সংস্কৃত পালি আরবি ফারসি: ভাষার সংকট ও সম্ভাবনা
কিছু দিন আগে একটি খবর বেশ শোরগোল তুলেছিল: সংস্কৃত ভাষায় উচ্চ শিক্ষাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সংস্কৃত বলতে ও লিখতে পারেন না। হাসির জোগান দিলেও আলোচনাটি যৌক্তিক আলাপের কোনো ভিত্তি তৈরি করতে পারেনি। মৃত ভাষা নিয়ে কিছু দিন হেসে খবরটি নিজেই মৃত হয়ে গেছে। অথচ প্রশ্ন উঠতে পারত যে, ভাষা মরে যায় কেন? একটি মৃত ভাষা কি একেবারেই গুরুত্বহীন? কেন সংস্কৃত শিখতে হবে? সংস্কৃত শিক্ষার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চাহিদা কী? বছরের পর বছর ধরে বাঙালিরা আরবি শিখেছে; তাতে কি বাংলাদেশে আরবি ভাষাচর্চা বৃদ্ধি পেয়েছে? পালি ভাষার কী পরিস্থিতি? ফারসি ভাষা শিখে লোকেরা কী করছে? বাংলাদেশের প্রধান তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃত, পালি, আরবি, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য পড়ানো হয় কেন? এসব প্রতিষ্ঠানের ভাষা বিষয়ক বিভাগগুলোর কর্মকাণ্ড বিষয়ে কি গবেষণা হয়েছে?
১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
দুজন সোনার মানুষ ও সমকালীন বুদ্ধিজীবীর দায়
মানুষের সাধনা যতটা নিজেকে নিয়ে তার চেয়ে বেশি অপরকে নিয়ে অপরের কল্যাণে। এটা কেবল মানুষের ক্ষেত্রে নয় সকল প্রাণের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য। মানুষ যেহেতু প্রাণের ভরকেন্দ্রে অবস্থিত এবং অন্যকে নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার অধিকারী ও জীবনের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে, ফলে তাকে ঘিরেই আবর্তিত হয় জাগতিক পৃথিবীর কল্যাণ, প্রগতি, সভ্যতার অগ্রগতি ও মানুষের মুক্তি—যা নিশ্চিত করতে পারে সোনার মানুষেরা—দেশ ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীরা। লালনের সোনার মানুষেরা সোনার রাংতায় মোড়ানো নয়, তারা জীবনের ব্রতে, কর্মের সাধনায় বুদ্ধিজীবীর দায়ে সংশপ্তকের ভূমিকায় উত্তীর্ণ-অবতীর্ণ-জারি রাখা মহত্তর এক মানুষ।
১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:২৪ অপরাহ্ন
কী শিখেছি এতো বছরে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে আমার প্রবেশ বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের বছরে। তারপরে অনেক ঘটনা ঘটেছে ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত জীবনে। কিন্তু সেই যে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা, সেখান থেকে আর সরা হয়নি। ইচ্ছে করেই সরিনি। কিন্তু কি শিখেছি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে? এক কথায় বলতে গেলে, বিশেষভাবে শিক্ষাপ্রাপ্ত হয়েছি দুটি ব্যাপারে। একটি গ্রন্থমনস্কতা অপরটি সামাজিকতা। আলাদা আলাদাভাবে নয়, এক সঙ্গেই। ওই দুই বস্তু আমার ভেতর কতটি ছিল জানি না, যতটুকু ছিল তারা উভয়েই যে বিকশিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্রয়ে ও প্রশ্রয়ে, তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।
১১ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্ম ও শতবর্ষী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট
বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্ম কী, প্রধানত এবং সর্বোপরি? কোনো প্রকার গৌরচন্দ্রিকা ছাড়া এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায় এভাবে। তার আগে পরিষ্কার হওয়া দরকার, এখানে ধর্ম বলতে মূলত কাজকেই বোঝানো হচ্ছে, যদিও কাজের চেয়ে ‘ধর্ম’ শব্দবন্ধের অর্থ আরও গভীর এবং বিস্তারও বেশি। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী? প্রধানত তিনটি। এক. পড়ানো, দুই. গবেষণা, তিন. নতুন চিন্তা উৎপাদন।
৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
একে একে নিভিছে দেউটি
‘রফিকুল ইসলাম’ নামটির সঙ্গে আমার পরিচয় ১৯৮৮ সালের দিকে। প্যারিস থেকে ইন্ডোলজিতে স্নাতকোত্তরের পাঠ শেষ করে প্রথমবার দেশে ফিরেছি। ভাষাবিজ্ঞানে কিঞ্চিৎ আগ্রহ বোধ করছিলাম এবং বাংলা ভাষায় লেখা ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত স্যারের ‘ভাষাতত্ত্ব’ বইটা পড়ে ফেললাম। এদিক থেকে দেখলে পরিচয় না থাকা সত্ত্বেও রফিক স্যারই আমার ভাষাবিজ্ঞানের প্রথম গুরু। অনেকটা মহাভারতের দ্রোণাচার্য একলব্যের কাহিনীর মতো।
৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
স্পিভাক: চিন্তাবিশ্বে যুক্তি ও কল্পনার চৌহদ্দি
যুক্তি ও কল্পনার শক্তি যে কতটা বহুমাত্রিক এবং দুঁদে হয়ে উঠতে পারে, তা গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক পাঠ না করলে অজানা থেকে যেত। বর্তমান চিন্তকদের মধ্যে তিনি যেমন স্বতান্ত্রিকধারার প্রতিনিধি উঠেছেন তেমনি নিজেকে উচ্চকিত করেছেন স্বল্প কর্ষিত ধারাটির একজন স্বার্থক উদ্গাতা ও মৌলিক চিন্তার প্রতিভূরূপে।
৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
নভেম্বর রেইন
নভেম্বর রেইন শীতের পাশে আমার ভেতরে গাছের উচ্চতায় মাথা তুলছে, লফিয়ে নামছে লাখ লাখ যুদ্ধফেরত ভীরু। সেই তীব্র হাওয়াবাজির ত্রস্তপীড়নে, ভয় পাওয়া ঘুমের ঘোরে, জ্বলজ্বলে সিগারেটের অঙ্গার ফেলে আসা আলিঙ্গনের মধ্যে পুড়ে যাচ্ছে, ছাই হয়ে যাচ্ছে সমস্ত মোবাইলের যৌনাকাঙ্ক্ষা—এই নভেম্বরে।
১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
এপিটাফ
এখানে যে শুয়ে আছে, বেঁচে ছিল বাঙালির গড় আয়ু নিয়ে।
১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
সংস্কৃতির ব্যাপারটা কতটা জরুরি
আমাদের দেশে ২টি বড় ট্রাজেডি ঘটেছে। প্রথমটি ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধ, দ্বিতীয়টি ১৯৪৭ সালে দেশভাগে। সেই দেশভাগ সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, এমনকি প্রাকৃতিকভাবে আমাদের ভাগ করে যে ক্ষতি করেছে তা পূরণ হওয়ার নয়। অন্নদাশঙ্কর রায়ের কবিতাটা মনে আছে? শিশুটি তেলের একটি শিশি ভেঙে ফেলেছে। কবি বলছেন, ‘তেলের শিশি ভাঙলো বলে শিশুর উপর রাগ করো/ তোমরা যে সব বুড়ো খোকা ভারত ভেঙে ভাগ করো তার বেলা?’ বুড়ো খোকারা ভারত ভেঙে ভাগ করেছে, ইংরেজ প্ররোচনা দিয়েছে। কেমন করে সাংস্কৃতিকভাবে এই ভাঙা-ভাঙির ব্যাপারটা কাজ করেছে তার নানান দৃষ্টান্ত আমরা নানান জায়গায় পাব।
১ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
সংস্কৃতির ব্যাপারটা কতটা জরুরি
আমাদের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখব, আমরা দীর্ঘকাল সংগ্রাম করেছি। এই সংগ্রামে সমাজতন্ত্রীরা ছিলেন, জাতীয়তাবাদীরা ছিলেন। পার্থক্য হচ্ছে, জাতীয়তাবাদীরা ছিলেন পুঁজিবাদী এবং সমাজতন্ত্রীরা ছিলেন সামাজিক মালিকানায় বিশ্বাসী। নানান ঐতিহাসিক কারণে সমাজতন্ত্রীরা জয়ী হতে পারেননি। জাতীয়তাবাদীরা, পুঁজিবাদীরা জয়ী হয়েছেন। পুঁজিবাদীরা জয়ী হলে কি পরিণতি হয় তা আজকে ৪টি গানের মধ্যে আমাদের এই শিল্পী বন্ধু উন্মোচিত করে দিয়েছেন। এটিই হচ্ছে পরিণতি। আমরা পুঁজিবাদের মধ্যে এই চরিত্রটা দেখব রবার্ট লুই স্টিভেনশনের একটি গল্পে। গল্পটা হয়ত আপনারা অনেকেই জানেন। নাম ড. জেকিল অ্যান্ড মিস্টার হাইড। ড. জেকিল খুব বড় মাপের একজন চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, সন্ন্যাসীর মতো মানুষ। তার কোনো শত্রু নেই, সারাক্ষণ গবেষণা করেন। মানুষের উপকারে গবেষণা করেন। কিন্তু তার ভেতরে আর একটা মানুষ আছে, সেই মানুষটা মি. হাইড।
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
আমাদের জাগরণের প্রথম সুর তোলেন নজরুল: অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম একজন লেখক, ভাষাতত্ত্ববিদ, গবেষক ও শিক্ষক। তার জন্ম ১৯৩৪ সালের ১ জানুয়ারি চাঁদপুরের মতলব উপজেলার কলাকান্দায়। বাংলাদেশের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক নজরুল গবেষক হিসেবে তিনি সম্মানিত।
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
সংস্কৃতির ব্যাপারটা কতটা জরুরি
শতবছর আগে রুশ দেশে যে বিপ্লব হয়েছিল সে বিপ্লবের তাৎপর্য সাংস্কৃতিকভাবে তুলে ধরা আজকে খুবই প্রয়োজনীয়। কিছু কিছু অনুষ্ঠানের শুরুতে আমরা কিছু মূল্যবান গান শুনে থাকি। সে গানগুলোতে সমাজ বাস্তবতা উন্মোচিত হয়। সে সব শিল্পী চর্মচক্ষে দেখতে পান না হয়তো, কিন্তু মনের মধ্যে স্পষ্ট দেখেন দেশের অবস্থাটা এখন কী। গানগুলো একটা কথাই বলে—আমরা আছি পুঁজিবাদী ব্যবস্থার যে চরম রূপ, তার ভেতরে। আমি এই কথাটায় আবার ফিরব।
২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
শনিবারের চিঠির নীরদ চৌধুরী
নীরদচন্দ্র চৌধুরী ইংরাজিতেই লিখিতেন। ভালো ইংরাজি লিখিতে পারেন বলিয়া তাহার বেশ খানিকটা আত্মতৃপ্তি ছিল। তবে তাহার বাংলা রচনার কথাও উল্লেখযোগ্য। তাহার প্রথম বাংলা বই ‘বাঙালী জীবনে রমণী’ প্রকাশিত হইয়াছিল ১৯৬৮ সালে। দিল্লীবাসী নীরদ চৌধুরীর বয়স তখন প্রায় ৭১ বৎসর। এ প্রসঙ্গে তিনি লিখিয়াছেন, ‘এ পর্যন্ত আমি বাংলা বই লিখি নাই, এই আমার প্রথম বই। পঞ্চাশ বৎসর বয়সে ইংরেজিতে প্রথম বই লিখিতে আরম্ভ করিয়াছিলাম, সত্তর বৎসর বয়সে বাংলায় লিখিলাম।’ বাংলায় লেখা তাহার কয়েকটি বই বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে তাহাকে প্রচণ্ড ভাবে জনপ্রিয় করিয়া তুলিয়াছিল। এইগুলি হইল আত্মঘাতী বাঙালি, আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ, আমার দেবোত্তর সম্পত্তি, আজি হতে শতবর্ষ আগে, আমার দেশ আমার শতক।
২৩ নভেম্বর ২০২১, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
মন্বন্তরের চার্চিলের সত্য মিথ্যা
বিশ্ব ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র চার্চিল। পুরো নাম উইনস্টন চার্চিল। ব্রিটিশদের কাছে পরম পূজনীয়। ‘সর্বকালের সেরা ব্রিটিশ’ বলে বিবেচিত। সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্র শক্তির বিজয়ের মহান কারিগররূপে সর্বজনমান্য। ব্রিটিশদের দুঃসময়ের পরীক্ষিত বন্ধু ও জনতুষ্টি অর্জন করা এক রাষ্ট্রনায়ক। পাশাপাশি পাঠক চিত্তে মুগ্ধতা ছড়ানো ও আলোড়ন তৈরিতে সক্ষম একজন লেখক।
২৩ নভেম্বর ২০২১, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
মুদ্রণশিল্প ও প্রকাশনা শিক্ষার ভবিষ্যৎ
মুদ্রণশিল্প ও প্রকাশনা বর্তমান বিশ্বে একটি অগ্রসরমান মাধ্যম- যা প্রতিনিয়ত আধুনিকতর রূপে বিকশিত হচ্ছে এবং নবতর চিন্তা ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সমন্বয়ে দ্রুত রূপাদল পরিবর্তিত হচ্ছে। বাংলাদেশও প্রযুক্তির এই পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিল্প, বিজ্ঞান, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিশ্বের সঙ্গে সমান তালে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। এ সকল ক্ষেত্রে প্রকাশনা-মাধ্যম সবসময় গুরুত্ববহ ভূমিকা পালন করে এসেছে।
২২ নভেম্বর ২০২১, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
সুফিয়া কামাল: কেন তাকে মনে রাখবো
ছোট্ট একটা স্মৃতি। ক্লাস থ্রি-ফোরে পড়ি। বাংলা বইয়ে একটা কবিতা ছিল নাম ‘আজিকার শিশু’, কবি সুফিয়া কামাল। মুখস্থ করতে গিয়ে দেখি কিছুই মনে থাকে না। কিন্তু আমাদের পড়াতে পড়াতে ছন্দের তালে তালে আম্মা স্মৃতি থেকে শুনিয়ে দেন, ‘আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা,/ তোমরা এ যুগে সেই বয়সেই লেখাপড়া কর মেলা।’ কিংবা ‘তোমরা যখন খেলিছ পুতুল খেলা...’ ‘বহু দিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লী মায়ের কোল/ যেথা ঝাউ শাখে বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল।’ মনে মনে ভাবি, আম্মাদের ছোটবেলার কবি!
২০ নভেম্বর ২০২১, ০৩:৪২ অপরাহ্ন