মানিকগঞ্জে ‘বালুমহাল দ্বন্দ্বে’ গুলি ও কুপিয়ে একজনকে হত্যার অভিযোগ
মানিকগঞ্জের শিবালয়ের তেওতা বালুমহালের ইজারাদারকে মোবাইল ফোনে হুমকির ঘটনায় থানায় জিডি করার একদিনের মাথায় বালুমহালটির ব্যবস্থাপককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নিহত মিরাজ হোসেন (৪০) পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও তেওতা বালুমহালের ব্যবস্থাপক ছিলেন।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় যমুনা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলের আলোকদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শিবালয় থানার ওসি (তদন্ত) মানবেন্দ্র বালো দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, আজ বিকাল ৫টার দিকে নদীর পাড়ে ড্রেজারে কর্মরত থাকাবস্থায় মিরাজকে লক্ষ্য করে স্পিডবোটে করে আসা দুর্বৃত্তরা গুলি করে। গুলির পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে মিরাজকে কুপিয়ে আহত করা হয়।
স্থানীয়রা মিরাজকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তেওতা আলোকদিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ শেখের ছেলে জাহাঙ্গীরও (৪২) গুলিবিদ্ধ হন।
বালুমহালের ইজারাদার কাওছার হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, ‘গত বুধবার ফোনকলে বাল্কহেড জাহাজে বালু বিক্রি করলে খুন করার হুমকি দেয় এক অজ্ঞাতব্যক্তি। বিষয়টি শিবালয় থানার ওসিকে জানানো হয়। তার পরামর্শে বৃহস্পতিবার থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়।’
এর একদিন পরেই এ হত্যার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ইফতি এন্টারপ্রাইজ ইজারাদার হিসেবে বালুমহালটি পরিচালনা করে আসছিল। তবে গত মাসে নতুন দরপত্রে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান ইজারা বন্দোবস্ত পান।
ওসি (তদন্ত) মানবেন্দ্র বালো দ্য ডেইলি স্টারকে, ‘খবর পেয়ে ওসির নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি পুলিশ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলেন। বিষয়টি তদন্তাধীন ও আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। নিহত মিরাজের মরদেহ বর্তমানে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।’