মাদক গ্রহণ দেখে ফেলায় ভাতিজাকে ছুরিকাঘাত, বাধা দিতে গিয়ে নিহত ১
মাদক গ্রহণ করতে দেখে ফেলায় ভাতিজাকে ছুরিকাঘাত করেন চাচা। আহত ভাতিজা প্রাণ বাঁচাতে পাশের একটি ঘরে আশ্রয় নিলে, সেখানে ঢুকে চাচার এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে এক নারী নিহত হন।
আজ বুধবার দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল দ্য ডেইলি স্টারকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ছুরিকাঘাত ও হত্যায় অভিযুক্ত হেলিম মিয়াকে (৪৫) আটক করা হয়েছে।
এছাড়া, ছুরিকাঘাতে নিহত বকুল বেগমের (৫৫) মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার ডেইলি স্টারকে বলেন, 'হেলিম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদক গ্রহণ করে। আজ তার ছুরিকাঘাতে ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।'
স্থানীয় ও নিহতের স্বজনরা জানান, হেলিম মিয়াকে মাদক গ্রহণ করতে দেখেন ভাতিজা সাইদুল ইসলাম (২৫)। এতে হেলিম ক্ষিপ্ত হয়ে ছুরি দিয়ে সাইদুলের ওপর হামলা চালান। প্রাণ বাঁচাতে সাইদুল পাশের বাড়িতে বকুল বেগমের ঘরে আশ্রয় নেন।
কিন্তু হেলিম তাকে ধাওয়া করে ওই বাড়িতে ঢুকে আবার ছুরিকাঘাত করতে থাকেন। এ সময় বকুল বেগম বাধা দিতে গেলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন হেলিম। এতে ঘটনাস্থলেই বকুল বেগমের মৃত্যু হয়।
চিৎকার শুনে সাইদুলের ভাই আমিনুল ইসলাম ও বকুল বেগমের জামাতা ওয়াদুদ মিয়া এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালান হেলিম।
খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হেলিমকে আটক করে।
ওসি আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘হেলিম মিয়াকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।'