বাড্ডায় ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, শিক্ষক ও সহপাঠী পুলিশ হেফাজতে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তার এক শিক্ষক ও এক সহপাঠীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ঘটনাটিকে সম্ভাব্য আত্মহত্যা হিসেবে তদন্ত করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপারসন কাজী তামান্না হক সিগমা ও বিভাগের এক শিক্ষার্থী আজ রোববার বিকেলে বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন।
তারা জানান, মারা যাওয়া মুনিরা মাহজাবিন মিমো বিভাগে স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বিভাগের সূত্র জানায়, মিমো রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় তার বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন।
কাজী তামান্না হক সিগমা ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে আমরা তার মৃত্যুর খবর পাই। এরপর বিভাগের শিক্ষকরা তার বাসায় যান।’
তিনি আরও বলেন, ‘মিমোর রেখে যাওয়া একটি চিরকুটের ভিত্তিতে আমাদের এক শিক্ষকের সঙ্গে তার সম্পর্কের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এ কারণে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে। একইসঙ্গে তার এক সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে।’
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।
ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে সন্দেহ করা হচ্ছে—বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর সম্পর্ক থাকতে পারে। এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
ডিসি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মামলার অগ্রগতি ও প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।