রাষ্ট্রপতি কী করবেন, না করবেন— তা জানি না: স্পিকার

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

‘আমি দেশের বাইরে ছিলাম। সুতরাং এখানে কে পদত্যাগ করবেন বা কী ঘটেছে, এ নিয়ে আমার কিছুই জানা নেই। এখন হয়তো জানতে পারব।’

রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে আলোচনার মধ্যে থাইল্যান্ড থেকে আজ শুক্রবার দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম।

দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে থেকে দেশে ফেরেন স্পিকার। শাহজালাল বিমানবন্দরে তার অপেক্ষাতেই ছিলেন সাংবাদিকরা।

বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই বলেননি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমন শুনেছি।’

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে নিয়ম অনুযায়ী স্পিকারকেই দায়িত্ব নিতে হয়, এক সাংবাদিক প্রশ্ন করতে শুরু করলে তিনি বলেন, ‘এটা তো অনুমাননির্ভর প্রশ্ন। সুতরাং তিনি কী করবেন, না করবেন, তা তো আমি জানি না। রাষ্ট্রপতি দেশের প্রথম ব্যক্তি।’

চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই ব্যাংককে যান হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সফরসূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই তার ফেরার জন্য ফিরতি টিকিট কাটা ছিল। তবে তিনি আজই ফিরে এলেন।

স্পিকার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি এই মাসের ১৯ তারিখে ব্যাংককে গিয়েছিলাম আমার মেডিকেল চেকআপের জন্য। গতকাল আমার মেডিকেল চেকআপ শেষ হয়েছে। সেই কারণে আমি দেশে চলে এসেছি। আপাতত এর বেশি কিছু বলার নেই। সবাইকে ধন্যবাদ।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যদি রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন, তাহলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করবেন এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ একজন নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করবেন। এই হলো সাংবিধানিক পজিশন। ধন্যবাদ।’

২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা ছিল, আগে কেন ফিরলেন, সেই প্রশ্ন করলে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমার একটু ব্যক্তিগত কাজ আছে... কাল আমার মেডিকেল চেকআপ যেহেতু শেষ হয়েছে, সেজন্যেই আমি এসেছি।’

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তো পরবর্তী দায়িত্ব স্পিকারের ওপরই বর্তাবে, সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্পিকার বলেন, ‘এটা ট্র্যাডিশনালি বাংলাদেশের সংবিধানে লেখা আছে। যখন রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন, তখন অ্যাক্টিং (ভারপ্রাপ্ত) রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্পিকার দায়িত্ব পালন করেন।’

‘কিন্তু মূল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে জাতীয় সংসদ। সেটা তিন মাসের মধ্যে করতে হয়। এটা হলো সংসদের পজিশন। ধন্যবাদ।’