নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: ককটেল বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে ডিএমপি কর্মকর্তা

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে মন্তব্য করায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মনে করেন ডিএমপির এক কর্মকর্তা।

আজ শুক্রবার বিকেলে মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম-কমিশনার (দক্ষিণ) মো. তোফায়েল আহমেদ মিঞা এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে শ্যামপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও প্রায় ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধার করে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে কয়েকজন সাংবাদিক নাসীরের সাম্প্রতিক একটি বক্তব্যের উল্লেখ করেন।

গত ২১ সেপ্টেম্বর সরকার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়ার পর এক প্রতিবাদ সমাবেশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, '১১ দল যেসব দাবি করে আসছে, সেগুলো মানলেই ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না।'

এই বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আজকের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা জানতে চান, নাসীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি না।

জবাবে যুগ্ম-কমিশনার তোফায়েল বলেন, 'নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে যে তিনি কেন এই বক্তব্য দিয়েছেন। এই কথা তিনি কেন বললেন।'

নাসীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হবে কি না, জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা অবশ্য বলেন, 'এটা আমি এখনই বলতে পারব না। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।'

ব্রিফিংয়ে যুগ্ম-কমিশনার তোফায়েল আহমেদ জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করে পুলিশ  শুক্রবার ভোরে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের বাগাশুর এলাকায় থেকে জাহিদ হাসান ইমনকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত কস্টিক সোডা, সালফার, মারবেল, তারকাঁটা, লাল স্কচটেপ এবং ৯ হাজার পিস মুখোশ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার জাহিদ জানান লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাত ভ্যানচালকের সাহায্যে তার কাছে মুখোশগুলো পাঠানো হয়েছে। পরে বিভিন্ন নেতাকর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশে সেগুলো তিনি বাসায় সংরক্ষণ করেন।

গ্রেপ্তার ইমনের বিরুদ্ধে শাহবাগ ও লালবাগ থানায় পৃথক দুটি মামলা আছে বলে জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।