সীতাকুণ্ডে দখলদারদের বাধায় পণ্ড রেলের উচ্ছেদ অভিযান
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে রেলওয়ের জমির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে দখলদারদের বাধার মুখে পড়ে ফিরে গেছে রেলের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বুধবার সীতাকুণ্ডের কুমিরা এলাকায় সেতু ইয়ার্ড নামে স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি বিভাগের ভূমি ও রাজস্ব বিষয়ক কর্মকর্তা ইদ্রিছ আলী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আজ দুপুরে দুটি এক্সকাভেটর, পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ৩০ সদস্য নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। কর্মকর্তারা সেখানে পৌঁছানোর পর দখলদাররা স্থাপনাগুলো ঘিরে নানা ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে অভিযান না চালিয়ে ফিরে আসে দলটি।’
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত দখলদারদের ৩০ দিনের মধ্যে ওই জমি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় বলে জানান ইদ্রিছ আলী।
এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ও সিনিয়র সহকারী সচিব মো. খোরশেদ আলম চৌধুরী।
রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে প্রায় ১০ একর জমিটি রেলের সেতু নির্মাণের মালামাল রাখার কাজে ব্যবহৃত হতো। ২০০০ সালের পর থেকে ওই জমিতে অন্তত ৫০টি পরিবার ঘর তৈরি করে বসবাস করছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভূ-সম্পত্তি বিভাগের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘জমিটি টেন্ডারের মাধ্যমে একটি বেসরকারি ও একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়া হয়েছিল। তবে দখলদারদের কারণে ইজারার রেজিস্ট্রেশন শেষ করা যায়নি।’
এখন অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের মাধ্যমে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ইজারার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।