শিবিরের সঙ্গে আবরারের সংশ্লিষ্টতা ছিল না: পরিবার

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিহত ছাত্র আবরার ফাহাদের সঙ্গে ইসলামী ছাত্র শিবিরের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আবরারকে পিটিয়ে হত্যার খবর পাওয়ার পর থেকেই কুষ্টিয়ায় আবরারের বাড়িতে শোকের মাতম। পিটিআই রোডে আবরারের বাড়িতে দ্য ডেইলি স্টারের স্থানীয় সংবাদদাতাকে তার মা রোকেয়া খাতুন কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, তার ছেলে কোনোদিন পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়নি। উচ্চ শিক্ষার জন্য যেখানেই আবেদন করেছিল সেখানেই সে পড়ার সুযোগ পায়।

তিনি বলেন, প্রকৌশলী হবার ইচ্ছা আবরারের ছোটবেলার। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েই সে বুয়েটে ভর্তি হয়েছিল।

“গতকালই সে বাসে করে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় যায়। বাসে তুলে দিয়ে আসার পর তিন-চার বার তার সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়েছে। ঢাকায় পৌঁছানোর পর সে ফোন করেছিল।”

কিন্তু রাতে বেশ কয়েক বার ফোন করেও ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি বলে জানান তার মা।

বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে তিনি তার ছেলের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

আবরারের রাজনীতি সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে তার চাচা মিজানুর রহমান বলেন, আবরারের শিবির সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। সে নামাজ পড়ত। বুয়েটে ভর্তি হওয়ার পর তিন-চার বার সে তাবলিগ জামাতে গিয়েছিল।

আবরারের পুরো পরিবার আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ওর বাবা বরকত উল্লাহর সঙ্গে আমিও নিয়মিত অওয়ামী লীগের সভা-সমাবেশে যেতাম।

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ একটি এনজিওতে কর্মরত।

 

আরও পড়ুন:

দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করুন: ছাত্রলীগ

মতের পার্থক্যের কারণে কাউকে মেরে ফেলা উচিত না: কাদের

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আবরারের শেষ ফেসবুক পোস্ট

‘রক্তক্ষরণ ও ব্যথায় আবরার মারা গিয়েছেন’

আবরারের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ বিচার দাবি

আবরার হত্যায় বুয়েট ছাত্রলীগের ২ নেতা আটক

ছাত্রলীগের জেরার পর বুয়েট শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার