বরইতলা বধ্যভূমি: বিচারের আশায় ৩৬৫ শহীদ পরিবার
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও এদেশীয়দের সহযোগিতায় পরিকল্পিত গণহত্যা ও নির্যাতন শুরু করে প্রথম থেকেই। যার মাধ্যমে তারা বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দমন করতে চেয়েছিল। তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিলো ২৬ মার্চের মধ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সব বড় শহর দখল করে নেওয়া এবং রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধীদের এক মাসের ভেতর নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া।
২৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
আবুল মনসুর আহমদের আয়না ও তার প্রাসঙ্গিকতা
গোঁড়া মোহাম্মদী পরিবারের সন্তান ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। লাল তুর্কী টুপি মাথায় মোহাম্মদীর পক্ষে তর্কেও যেতেন। ঘটনাক্রমে একদিন তিনি ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের হেড মৌলভী আলী নেওয়াজ ও শিক্ষক মৌলভী শেখ আবদুল মজিদের সংস্পর্শে আসেন।
৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
উচ্চশিক্ষা কি শুধুই চাকরির জন্য!
‘বেশি দামে কেনা কম দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা’ ৪৪ বছর আগে প্রকাশিত আবুল মনসুর আহমদের বইটি পড়ছিলাম কয়েকদিন। বইটির প্রতিটি পাতায় আবেগকে বাদ দিয়ে যৌক্তিক মননে বিশ্লেষণ করেছেন কালান্তর। পড়তে পড়তে সমকালের অনেক কথাই ভাবছি।
৪ জুলাই ২০১৮, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
লালব্রিজ গণহত্যা: মুক্তিযুদ্ধের অজানা অধ্যায়
১৯৭১ সালে পাকিস্তান বাহিনী বাংলাদেশে অসংখ্য নির্যাতন কেন্দ্র গড়ে তুলেছিল। সেখানে হাজার হাজার মা-বোন, যুবা-বৃদ্ধা, শিশু-কিশোরদের দিনের পর দিন নির্যাতন চালিয়ে অবশেষে তাদের হত্যা করে কবরের নামে যততত্র মাটিচাপা দিয়ে রেখেছিল। একাত্তরের ঘাতকদের জল্লাদখানা ও বধ্যভূমি আবিষ্কারের চাঞ্চল্যকর সংবাদ বিভিন্ন অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে। তবে এগুলো গত ৪৫ বছরে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই পায়নি। তাই বলা যায় এগুলো মুক্তিযুদ্ধের এক অজানা অধ্যায়।
১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
বুদ্ধিজীবী কর্নেল কাদিরের জীবন: অনুসন্ধানী পাঠকের খোরাক
পাক-হানাদার বাহিনী চট্টগ্রামে আমাদের ৭০ পাঁচলাইশের বাসা থেকে বাবা লে. কর্নেল মুহাম্মদ আব্দুল কাদিরকে ধরে নিয়ে গেলো ১৭ এপ্রিল। তারপর আর খোঁজ নেই! একজন জলজ্যান্ত মানুষ হঠাৎ হারিয়ে গেলেন! তখন বুঝতে পারিনি, এই হারিয়ে যাওয়া মানে আর ফিরে না আসা। তখন বুঝতে পারিনি, এই হারিয়ে যাওয়া মানে শহীদ হওয়া। তখন বুঝতে পারিনি, এই হারিয়ে যাওয়া মানে মাটির নিচে চলে যাওয়া, সমস্ত অস্তিত্ব বিলীন করে দিয়ে।
১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ১০:০১ পূর্বাহ্ন