অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী হত্যাকাণ্ড

সুপ্রিম কোর্টে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী হত্যা মামলায় আজ মঙ্গলবার তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু করেছেন সুপ্রিম কোর্ট।

২০০১ সালের ১৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের নাজিরহাট কলেজের অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরীকে জামাল খান রোডের নিজ বাসভবনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

আজ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ এই মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শেষে তিন আসামির দণ্ড লঘু করেন।

দেশের শীর্ষ আদালত কোন কারণের ভিত্তিতে তাদের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু করেছেন তা রায়ের পুরো কপি প্রকাশিত হলে জানা যাবে।

আজ সকালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, আসামি আজম, আলমগীর কবির ওরফে বাইট্টা আলমগীর এবং তাসলিমুদ্দিন মন্টু কনডেম সেলে আছেন।

তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ড কমে আমৃত্যু কারাদণ্ড হওয়ায় তাদের কারাগারের সাধারণ সেলে স্থানান্তর করা হবে।

তবে কোন কারাগারে তারা আছেন সে তথ্য জানাতে পারেননি অমিত দাস গুপ্ত।

আসামিদের ডেথ রেফারেন্স এবং আপিল অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ১৯ জুলাই নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখে গোপাল কৃষ্ণ মুহুরীকে হত্যার দায়ে এই তিন আসামিসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন হাইকোর্ট।

চারজনের মধ্যে নাসির ওরফে গিট্টু নাসির ২০০৫ সালের ২ মার্চ র‌্যাবের সঙ্গে ক্রসফায়ারে নিহত হন।

কারাগারে থাকা এই তিন আসামি তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তিনটি পৃথক আপিল করেছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের পক্ষে আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও হেলাল উদ্দিন মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।