কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাটে ২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা, লালমনিরহাট

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে গত দুই মাসের মধ্যে আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

এ ছাড়াও, লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম দুর্গাপুরে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আলেয়া বেগম (৬৫) নামের এক নারী।

তার মৃত্যুর বিষয়টি আজ রাতে দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু রায়।

কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, আজ কুড়িগ্রামে ৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। লালমনিরহাটে ২৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ছয় জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু রায় বলেন, ‘দুর্গাপুর সীমান্ত গ্রামের আলেয়া বেগম করোনা উপসর্গ নিয়ে গতকাল বিকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হলে আজ বিকালে সেখানে তার মৃত্যু হয়। সন্ধ্যায় তার নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়।’

‘গত দুই মাস ধরে লালমনিরহাটে প্রতিদিন এক-দুজনের করোনা শনাক্ত হয়ে আসছিল। আজ হঠাৎই সে সংখ্যা বেড়ে গেছে’, বলেন তিনি।

কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘গত দুই মাস ধরে কুড়িগ্রামে প্রতিদিন দুই-তিন জনের করোনা শনাক্ত হয়ে আসছিল। আজ তা বেড়ে ১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।’

বিষয়টি সীমান্ত জেলার জন্য অ্যালার্মিং বলেও উল্লেখ করেনি তিনি।

মানুষ সচেতন না হলে এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তবে সংক্রমিতদের মধ্যে কারও শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়নি বলে জানান ডা. হাবিবুর রহমান।

কুড়িগ্রামে এ পর্যন্ত মোট আট হাজার ২৭৩টি নমুনা পরীক্ষায় এক হাজার ২২৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ জন মারা গেছেন এবং এক হাজার ৫৩ জন সুস্থ হয়েছেন।

লালমনিরহাটে এ পর্যন্ত মোট ছয় হাজার ৩০৬টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯২ জনের। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৩ জন আর সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ২৭৪ জন।