রিশাদ-আলিসের ঘূর্ণিতে সিরিজ বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক

বল হাতে শুরুটা করেছিলেন রিশাদ হোসেন ও আলিস আল ইসলাম, শেষটা ব্যাট হাতে এনে দিলেন সাইফ হাসান ও মোহাম্মদ নাঈম। চারজনের দারুণ পারফরম্যান্সে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’কে ৫ উইকেটে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

শনিবার পচেফস্ট্রুমে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের ১৮২ রানে অলআউট করে ৩৩ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। তাতে সিরিজ শেষ হয়েছে ১-০ ব্যবধানে।

টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’কে শুরু থেকেই চাপে রাখেন বাংলাদেশের বোলাররা। রিশাদ ৪৫ রানে চারটি এবং আলিস ৩৫ রানে তিনটি উইকেট নিয়ে স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান। একপর্যায়ে মাত্র ৮৯ রানেই ছয় উইকেট হারিয়ে বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’।

সেখান থেকে দলকে কিছুটা লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন অধিনায়ক মার্কেস অ্যাকারম্যান ও নয় নম্বরে নামা ইমরান মানাক। অ্যাকারম্যান ৬১ বলে ৫৪ রান করেন। আর মানাক ৫৩ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন। এই দুজনের প্রতিরোধ না থাকলে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ আরও কম রানে গুটিয়ে যেতে পারত। শেষ পর্যন্ত ৪০ ওভারে ১৮২ রানে অলআউট হয় তারা।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হয় দুর্দান্ত। উদ্বোধনী জুটিতেই ৯২ রান যোগ করেন সাইফ ও নাঈম। এই জুটিই মূলত জয়ের ভিত গড়ে দেয়। ৫৩ বলে ৬১ রান করে সাইফ ফিরেছেন নয়টি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায্যে।

এরপর আরও কয়েকটি উইকেট হারালেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন নাঈম। শেষ পর্যন্ত ৭৭ বলে ৬০ রান করে তিনি আউট হন। তবে ততক্ষণে বাংলাদেশের জয় প্রায় নিশ্চিত। ৩৩ ওভারে ১৮৫ রান তুলে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা। দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’র হয়ে তিনটি উইকেট নেন কাইল সিমন্ডস।

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাত্র ১১ ওভার খেলা হয়েছিল, এরপর ম্যাচটি আর শেষ করা সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টির কারণে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। ফলে শেষ ম্যাচের জয়েই সিরিজের ফল নির্ধারিত হয় এবং বাংলাদেশ ‘এ’ ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয়।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দুই ম্যাচের চার দিনের সিরিজে অবশ্য ১-০ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ ‘এ’। প্রথম ম্যাচে ইনিংস ও ৪১৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে তাওহীদ হৃদয়ের অপরাজিত ৩৫০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ড্র করেছিল বাংলাদেশ।