ক্যাচ মিসের মহড়ায় হতাশার সেশন
প্রথম ওভারেই পড়েছিলো উইকেট, দারুণ এই শুরু ধরে রাখতে পারল না বাংলাদেশ। সেজন্য বোলারদের থেকে দায় বেশি দিতে হবে ফিল্ডারদের। টানা তিন ওভারে তিন ক্যাচ হাতছাড়া করে নাজমুল হোসেন শান্তর প্রথম সেশন কেটেছে হতাশায়।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টের প্রথম সেশনে ১ উইকেটে ৯৪ রান তুলেছে আয়ারল্যান্ড। শূন্য রানে উইকেট হারানোর পর জুটি বেঁধে দলকে টানছেন পল স্টার্লিং ও অভিষিক্ত ক্যাডে কারমাইকেল। স্টার্লিং ৫৮ ও কারমাইকেল ৩০ রান নিয়ে খেলছেন।
বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র উইকেট পান হাসান মাহমুদ।
টস হেরে ফিল্ডিংয়ে যাওয়া স্বাগতিক দলের হয়ে চতুর্থ বলেই সাফল্য আনেন হাসান। ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ করেন আইরিশ অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবার্নিকে।
হাসান স্যুয়িং পাচ্ছিলেন প্রথম থেকে, আরেক পাশে গতির তোড় তুলছিলেন নাহিদ রানা। দুই পেসার মিলে তৈরি করলেন একের পর এক সুযোগ। সেসব হাতছাড়া করার মিছিলও যেন চলতে থাকল।
আয়ারল্যান্ডের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটার পল স্টার্লিংয়ে দুবার জীবন দিল বাংলাদেশ। জীবন পেলেন অভিষিক্ত ক্যাডে কারমাইকেল। চতুর্থ ওভারে নাহিদের বলে খোঁচা মেরে স্লিপে ক্যাচ দেন ৯ রানে থাকা স্টার্লিং। নিচু হওয়া ক্যাচ মুঠোয় জমাতে পারেননি সাদমান ইসলাম।
পরের ওভারে কারমাইকেলকে জীবন দেন তাইজুল ইসলাম। হাসান মাহমুদের বলে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়েও ১০ রানে বেঁচে যান কারমাইকেল। ৬ষ্ঠ ওভারে আবার হতাশা। এবার নাহিদের বলে গালিতে সহজ সুযোগ পান মেহেদী হাসান মিরাজ। ভালো ফিল্ডার বলে পরিচিত মিরাজ হাতে জমাতে পারেননি বল, তখনো ৯ রানেই ছিলেন স্টার্লিং।
জীবন পেয়ে আগ্রাসী মেজাজে ফিফটি স্পর্শ করেন স্টার্লিং। আয়ারল্যান্ডের অভিজ্ঞ ব্যাটার বিপদজনক হয়ে উঠছেন। তার সঙ্গে মিশে সতর্ক পথে হাঁটছেন কারমাইকেল। স্পিনাররা বল করতে এলেও তেমন একটা সমস্যায় ফেলতে পারছেন না এই দুজনকে।
তাইজুল ইসলাম, হাসান মুরাদদের সামাল দিয়ে সাবলীল গতিতে রান উঠাচ্ছেন তারা। প্রথম সেশনে আয়ারল্যান্ড ব্যাট করেছে ২৬ ওভার, রান উঠেছে ৩.৬১ করে।