ইউএস ওপেন

দাদির আত্মত্যাগ আর ২৩ বছরের হাহাকার: ইতিহাসের সামনে শেলটন

স্পোর্টস ডেস্ক

আমেরিকান পুরুষ টেনিসের শেষ রূপকথার নাম ছিল অ্যান্ডি রডিক। ২০০৩ সালের সেই ইউএস ওপেনের পর দুই দশক পার হয়ে গেলেও টেনিসের সবচেয়ে বড় কোনো ট্রফি ঘরে তুলতে পারেনি কোনো আমেরিকান। ২৩ বছর ধরে জমে থাকা সেই হাহাকার আর আক্ষেপ ঘুচানোর ঠিক শেষ ধাপে এসে দাঁড়িয়েছেন ২৩ বছরের তরুণ বেন শেলটন।

ঘরের মাঠে নিজের দেশেরই ফ্রান্সিস টিয়াফোকে ৪-৬, ৬-৩, ৬-৩, ৭-৫ সেটে হারিয়ে ইউএস ওপেনের ফাইনালে উঠেছেন এই বাঁহাতি। তবে ইতিহাস গড়ার মহাকাব্যিক রাতের সব আবেগকে এক মুহূর্তে ছাপিয়ে গেল একটি স্মৃতির কথা। ম্যাচের পর চোখ ভেজা শেলটন জানান, যে দাদি না থাকলে তার বাবারই কোনোদিন টেনিস খেলা হতো না, সেই সদ্যপ্রয়াত দাদির চরম আত্মত্যাগের ফলেই আজ তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছেন। জয়টা তাই দাদির স্মৃতিতেই উৎসর্গ করেছেন তিনি।

ইতিহাস অবশ্য আরেক জায়গায় হাতছানি দিচ্ছে তাকে। ১৯৭২ সালে আর্থার অ্যাশের পর এই প্রথম কোনো কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান পুরুষ হিসেবে নিউ ইয়র্কের এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠলেন শেলটন।

আমেরিকানদের ২৩ বছরের এই খরা কাটানোর পথে শেলটনের শেষ বাধা এখন জার্মান তারকা আলেকজান্ডার জেভরেভ। দিনের প্রথম সেমিফাইনালে রাশিয়ার কারেন খাচানভকে হারিয়ে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করে রেখেছেন তিনি। রোববারের ফাইনালে জেভরেভকে হারাতে পারলেই ২৩ বছরের খরা মিটিয়ে ট্রফিতে নাম লেখাবেন শেলটন।

এক নজরে অন্যান্য: 

কাটেরিনা সিনিয়াকোভা ও টেলর টাউনসেন্ড জুটি নারী ডাবলসের ফাইনালে জিতে ক্যারিয়ার গ্র্যান্ড স্ল্যাম পূর্ণ করেছেন। অন্যদিকে নারী এককের ফাইনালে বেলারুশের আরিনা সাবালেঙ্কার মুখোমুখি হবেন কাজাখস্তানের এলেনা রিবাকিনা।