আলো-অন্ধকারের গোলকধাঁধায় নারী ফুটবল লিগ
দীর্ঘ দেড় বছর পর নারী ফুটবল লিগ শুরু হওয়াটা ইতিবাচক খবর হওয়ার কথা থাকলেও পুরো চিত্র আসলে হতাশাজনক। এই লিগ কি আসলেই খেলোয়াড়দের মান উন্নয়নের জন্য, নাকি কেবল এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) নিয়ম রক্ষার জন্য— সেই প্রশ্ন ওঠাটা অত্যন্ত যৌক্তিক।
গত ২৯ ডিসেম্বর কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে পর্দা উঠেছে নারী ফুটবল লিগের। ঠাসা সূচির এই আসরে প্রতিদিন সর্বনিম্ন দুটি থেকে সর্বোচ্চ পাঁচটি পর্যন্ত ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একই ভেন্যুতে লিগের ৫৫টি ম্যাচ শেষ করার পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে এই আয়োজনে ফুটে উঠেছে এক বৈপরীত্য। যদিও দিনের ম্যাচগুলো বেশ আলোকিত পরিবেশে নতুন বসানো কৃত্রিম টার্ফে চাকচিক্য ছড়িয়ে মাঠে গড়াচ্ছে, তবে বিকালের পরেই দৃশ্যপট বদলে যাচ্ছে চরম নাটকীয়তায়।
সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে স্তিমিত ফ্লাডলাইটের আলো মাঠজুড়ে তৈরি করছে এক গুমোট ও অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ, যা খেলোয়াড়দের জন্য খেলা এবং দর্শকদের জন্য খেলা উপভোগ করা— উভয়কেই রীতিমতো চ্যালেঞ্জিং করে তুলছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সিরাজ স্মৃতি সংসদ বনাম আনসার ও ভিডিপির ম্যাচ এবং দিনের আলোয় সদ্যপুষ্করণী যুব এসসি বনাম বাংলাদেশ পুলিশ এফসির ম্যাচের স্থিরচিত্রগুলো এই দুই চরম ভিন্ন পরিস্থিতির এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছে।
