বানভাসি
‘ঈদের দিনটাত হামরাগুলা ডাইল-ভাত খাইছোং’
ঈদের দিন দুপুর ২টা, মাথার ওপর প্রচণ্ড রোদ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের ওপর পলিথিন মোড়ানো ঝুপড়ি ঘরে বসে কাঁদছিলেন কল্পনা বেগম (২৬)। দ্য ডেইলি স্টারকে কল্পনা বেগম বলেন, ‘হামার ছওয়া দুইটা আগ করি চলি গ্যাইছে। মনে হয় কোন সাগাইর বাড়িত গ্যাইছে। ওমার জইন্যে গোশতো কিনি আইনবার পাং নাই এইজইন্যে আগ করছে।’
১০ জুলাই ২০২২, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
‘ঘরে খাবার নাই, কীসের আবার ঈদ’
‘ঘর-দুয়ার ভাইঙ্গা গেছে। সবের কাপড়-চোপড় সবতা ভাসাইয়া লইয়া গেছে। এখন থাকার ওই জায়গা নাই। এক আত্মীয়র ভাঙ্গাছাঙ্গা বাড়িতে কোনোমতে ছিলাম। বাচ্চারার কাপড়ই কিনে দিতাম পাররাম না। মা অসুস্থ, ওষুধ কিনার ট্যাখাও নাই। এই অবস্থা আমরার কী আর ঈদ আছে?’
১০ জুলাই ২০২২, ০২:১৯ অপরাহ্ন
‘এ বছর আমাদের ঈদ নেই, ঈদের প্রস্তুতি নেই’
শাহাবুল ইসলাম (৪৭) ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। সংসারে স্ত্রী রেহানা বেগম (৪৩), ৪ সন্তান ও মা। এবারের বন্যায় তার ৩ ঘরের মধ্যে ২টিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘর মেরামত জরুরি। আর্থিক সঙ্গতি না থাকায় তা পারছেন না। একটি ঘরে সবাই গাদাগাদি করে থাকছেন।
৬ জুলাই ২০২২, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বানভাসিরা
বন্যার পানি নেমে গেলেও এখনো দুর্ভোগ কমেনি কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের ৩ লাখের বেশি বানভাসি মানুষের। দূষিত পানি পান ও বন্যার পানিতে চলাফেরা করার কারণে পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
৫ জুলাই ২০২২, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
সিলেটে বানভাসি মানুষের পাশে ইলিয়াস কাঞ্চন
সিলেটের বানভাসি মানুষের কাছে গেলেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির সভাপতি অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন।
২৭ জুন ২০২২, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
কেমন আছেন বানভাসি প্রান্তিক মানুষ?
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ভেসে গেছে মানুষের সর্বস্ব। বন্যায় সব হারানো মানুষগুলো কীভাবে টিকে আছেন?
২৪ জুন ২০২২, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
‘বাচ্চারা খাবার চাচ্ছে, দিতে পারছি না’
কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে বন্যায় আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ বানভাসি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩০ হাজারের বেশি শিশু। শিশুদের খাবার সংগ্রহ ও যোগান দিতে মহাসংকটে পড়েছেন বানভাসি লোকজন।
২১ জুন ২০২২, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
সুনামগঞ্জে ২ আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছেনি ত্রাণ, নেই বিশুদ্ধ পানির সুবিধা
উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ও অবিরাম বৃষ্টিতে হাওরের পানি উপচে ঢুকে পড়ছে বিভিন্ন এলাকায়। নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছুটছেন বন্যার্তরা। তবে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দুটি আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত পৌঁছেনি কোন ত্রাণ। পানিবন্দী অধিকাংশ মানুষ খাবার, স্যানিটেশন ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগছে।
২০ মে ২০২২, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন