'রেকর্ড ট্রান্সফার ফি'তে ম্যানচেস্টার সিটিতে গ্রিলিশ
সবকিছু পাকাই ছিল। অপেক্ষা ছিল কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। সেটাও দিয়ে দিল ম্যানচেস্টার সিটি। অ্যাস্টন ভিলা থেকে জ্যাক গ্রিলিশকে তারা টানল দলে। তাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ট্রান্সফার ফির নতুন রেকর্ডও হয়ে গেল।
বৃহস্পতিবার রাতে নিজেদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গ্রিলিশকে দলভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে ম্যান সিটি। ইংল্যান্ডের ২৫ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে তারা চুক্তি করেছে ছয় বছরের জন্য।
অ্যাস্টন ভিলায় আট বছর কাটিয়ে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে যোগ দিলেন গ্রিলিশ। সাবেক ক্লাবের হয়ে ২১৩ ম্যাচ খেলেন তিনি। নিজে ৩২ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করান ৪১ গোল। সবশেষ ইউরোর ফাইনালে ওঠা ইংল্যান্ডের স্কোয়াডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি।
গ্রিলিশকে নিতে ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়তে হয়েছে সিটিকে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম স্কাই স্পোর্টস জানিয়েছে, রিলিজ ক্লজের পুরো ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড পরিশোধ করতে হয়েছে তাদেরকে। ফলে ভাঙা পড়েছে পল পগবার রেকর্ড। ২০১৬ সালে ইতালিয়ান পরাশক্তি জুভেন্টাস থেকে তাকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড নিয়েছিল ৯৩.২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর গ্রিলিশ বলেছেন, 'আমি ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিতে পেরে খুবই আনন্দিত।'
প্রিমিয়ার লিগের শিরোপাধারী ম্যান সিটিকে ইংল্যান্ডের সেরা ক্লাব হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি, 'দেশের সেরা ক্লাব হওয়ার পাশাপাশি সিটির এমন একজন কোচ (পেপ গার্দিওলা) আছে, যাকে বিশ্বের সেরা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই ক্লাবের অংশ হতে পেরে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।'
গার্দিওলার প্রশংসায় তিনি যোগ করেন, 'গত ১০ বছর ধরে সিটি ধারাবাহিকভাবে বড় বড় শিরোপা জিতছে। এখানে এসে পেপ তাদেরকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আর এই দলটা গোটা ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফুটবল খেলে।'
নতুন কোচের শিষ্যত্ব গ্রহণ করতে মুখিয়ে আছেন গ্রিলিশ, 'পেপের অধীনে খেলা এবং তার কাছ থেকে শেখা হবে বিশেষ কিছু এবং সেরা মানের যেকোনো ফুটবলারই সেটা চাইবে।'
সবশেষ ২০২০-২১ মৌসুমে অসাধারণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে সিটির নজরে পড়েন গ্রিলিশ। সবমিলিয়ে খেলা ২৭ ম্যাচে ৭ গোল করার পাশাপাশি তিনি অ্যাসিস্ট করেন ১০টি। অ্যাস্টন ভিলার মৌসুমসেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন তিনি।