জাবির ২ কোটি টাকা ‘ঈদ সালামি’ ও উন্নয়ন প্রকল্পের ফাইল তলব
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের দ্বিতীয় মেয়াদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের আর্থিক বিষয়ের তথ্য তলব করেছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর।
পাশাপাশি ফারজানা ইসলামের ২ কোটি টাকা 'ঈদ সালামি' দেওয়াসহ টেন্ডার ও উন্নয়ন প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সব ফাইল তলব করা হয়েছে।
সোমবার জাবির রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্র দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা অডিট বিভাগের নিরীক্ষা দলের প্রধান মো. বাবুল হোসেনের গত শনিবার সই করা এক চিঠিতে এ সব তথ্য তলব করা হয়েছে।
চিঠিটি এসেছে বর্তমান রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্য বরাবর। এর একটি কপি দ্য ডেইলি স্টারের হাতে এসে পৌঁছেছে।
রেজিস্ট্রার দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, অডিটের স্বার্থে এ সব নথি ও ফাইল তলব করা হয়েছে। ২৪ মার্চের মধ্যে এগুলো পাঠাতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে নিরীক্ষার জন্য ২০১৭-১৮ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরের আর্থিক বিষয় সংক্রান্ত ফাইল ও নথি জরুরি ভিত্তিতে উপস্থাপনের অনুরোধ করা হয়।
এসব নথি ও তথ্যের মধ্যে আছে-বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ব্যাংক জমা, স্থায়ী-অস্থায়ী আমানতের তালিকা ও ব্যাংক বিবরণী, সব ব্যাংকের জমা-খরচের প্রতিবেদন, চেক রেজিস্টার ও চেক বই, পদোন্নতি ও অবসর অনুমোদন প্রতিবেদন, পেনশন ভাউচার, সেশন বেনিফিট সংক্রান্ত নথি, সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলামের একান্ত সচিবসহ ৫ জনের অ্যাডহক নিয়োগ নথি ও তাদের ব্যক্তিগত নথি, উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত তহবিল থেকে ২ কোটি টাকা ঈদ সালামি দেওয়ার বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন, উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন সংক্রান্ত সিন্ডিকেট সভার কার্যবিবরণী, উন্নয়ন প্রকল্পের ৬টি কাজের উন্মুক্ত দরপত্র নথি ও মূল্যায়ন প্রতিবেদন, ২০১৯-২০ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরের ভর্তি পরীক্ষার নথি ও পরীক্ষার পারিশ্রমিক বণ্টন প্রতিবেদন।
এছাড়া ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, প্রধান প্রকৌশলী, কম্পট্রোলার, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, জনসংযোগ অফিসার ও ডিন নিয়োগ এবং ব্যক্তিগত নথিসহ ২০২৭-১৮ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ও বার্ষিক হিসাবও চাওয়া হয়েছে চিঠিতে।

