কুড়িগ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, ১৪ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত
কুড়িগ্রামর চর রাজীবপুর ও রৌমারীতে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘর ভেঙে পড়ে সুফিয়া খাতুন (৪০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।
মৃত সুফিয়া খাতুন রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নর কাড়িরভাঙ্গী ভিটাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাতের এ ঝড়ে প্রায় ২ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে, ক্ষতি হয়েছে ১৪ হেক্টর জমির ফসলের। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ শতাধিক কৃষক পরিবার।
এ ছাড়াও ঝড়ের তাণ্ডবে তছনছ হয়েছে গাছপালা ও গাছের ফল।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে রৌমারী ও চর রাজীবপুর উপজেলার উপর কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। এতে রৌমারী সদর ইউনিয়ন, যাদুরচর, বদবড় ও কোদালকাটি ইউনিয়নের ২ শতাধিক ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।
রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের বকবাদা নামাপাড়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মেছের আলী (৫৫) ডেইলি স্টারকে জানান, মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ ঝড় এসে তাদের এলাকার বাড়িঘর ও গাছপালা উড়ে গেছে।
এতে তার ঘরের আসবাবপত্রসহ জিনিসপত্রর ব্যাপক ক্ষতি হয়।
রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইয়ুম চৌধুরী দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, মঙ্গলবার রাতের ঝড়ে প্রায় ১৪ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু কৃষিখাতে ৩৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে।
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল ডেইলি স্টারকে বলেন, 'ঝড়ে ঘরচাপা পড়ে নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে নগদ ৫ হাজার টাকাসহ ৫০ কেজি চাল দেওয়া হয়েছে।'
তিনি জানান, উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের প্রায় ২ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঝড়ে গৃহহীন ৮টি পরিবারের মাঝে তাঁবু বিতরণ করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে সরকারি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।