মমতাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করে নন্দীগ্রাম মামলা ছাড়লেন বিচারক
বিচারককে পরিকল্পিতভাবে অবমাননা এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারক কৌশিক চন্দ।
আজ বুধবার এ জরিমানার আদেশ দেওয়ার পর নন্দীগ্রাম নির্বাচনে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর জয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মমতার করা মামলার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজেপির সঙ্গে কৌশিকের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে মমতা ও তার দল তৃণমূল কংগ্রেস ওই মামলার দায়িত্ব থেকে কৌশিক চন্দকে সরানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। এ নিয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদনও করেন মমতা।
এনডিটিভি জানায়, মামলা ছাড়ার আগে মমতার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ এনে বিচারপতি কৌশিক বলেন, ‘বিচারককে প্রত্যাহারের এ ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ও আপত্তিকর প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা প্রয়োজন। পিটিশনারকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হলো।’
কলকাতা হাইকোর্টের বরাত দিয়ে ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, জরিমানার এ অর্থ করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আইনজীবীদের পরিবারের সহায়তায় ব্যয় করা হবে।
মামলাটি এখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
গত ১৬ জুন প্রধান বিচারপতির কাছে লেখা আবেদনপত্রে মমতা বলেন, বিচারপতি কৌশিক অতীতে বিজেপির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। কাজেই মামলাটির ক্ষেত্রে তিনি শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে কাজ করতে পারেন। এ ছাড়া, গত এপ্রিলে কলকাতা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারক হিসেবে কৌশিকের নিয়োগ নিশ্চিত করার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছিলেন। এ কারণেও কৌশিকের কাছ থেকে নিরপেক্ষ আচরণ পাওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে তার।