সেপ্টেম্বর থেকে স্পুতনিক ভি ভ্যাকসিন উৎপাদনে যাবে সেরাম
আগামী সেপ্টেম্বর থেকে রাশিয়ার স্পুতনিক ভি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন উৎপাদনে যাচ্ছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। আজ মঙ্গলবার ভ্যাকসিনের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রাশিয়ান ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (আরডিআইএফ) এই তথ্য জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সেরাম ইনস্টিটিউটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্পুতনিক ভি ভ্যাকসিনের প্রথম ব্যাচের উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সেরাম ইনস্টিটিউট ও আরডিআইএফের চুক্তি অনুযায়ী, দুই পক্ষই আশা করছে তারা এখান থেকে প্রতিবছর ৩০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন উৎপাদনে সক্ষম হবে।
প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে গামালেয়া সেন্টার থেকে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটকে সেল ও ভেক্টর স্যাম্পল সরবরাহ করা হয়েছে। ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার (ডিসিজিআই) আমদানি অনুমোদনের পর কালটিভেশন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় ওই বিবৃতিতে।
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে তাদের প্রযুক্তিগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে এর আগে পুনেতে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন উৎপাদন করে। দেশটির চলমান টিকাদান কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আরডিআইএফ এর আগে রাশিয়ান ভ্যাকসিন উৎপাদনে এই ধরনের চুক্তির জন্য ভারতের প্লান্ড ফার্মা, হেটেরো বায়োফার্মা, প্যানাসিয়া বায়োটেক, স্টেলিস বায়োফার্মা, ভারচো বায়োটেক ও মরফিনসহ বেশ কয়েকটা ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির সঙ্গেও যোগাযোগ করে।
বিবৃতিতে ভারতকে স্পুতনিক ভি ভ্যাকসিনের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
রাশিয়াতে স্পুতনিক ভি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করে ভ্যাকসিনটিকে ৯৭ দশমিক ৬ শতাংশ কার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মার্চ মাসের মধ্যে রাশিয়ার জনগণকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয় বলেও জানানো হয়েছে আরডিআইএফের বিবৃতিতে।