১৫ ঘণ্টায় স্পিডবোট-লঞ্চে ১ লাখের বেশি মানুষের পদ্মা পাড়ি
ঈদকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া, মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও শরীয়তপুরের মাঝিকান্দি নৌপথে চলাচলকারী লঞ্চ ও স্পিডবোটের মাধ্যমে এক লাখ ১০ হাজার যাত্রী পদ্মা পার হয়েছেন।
আজ শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে তারা পদ্মা পার হয়েছেন। অন্যদিকে গতকাল রাত থেকে আজ রাত ৯টা পর্যন্ত ফেরিতে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ পদ্মা পার হন।
শিমুলিয়া নদী বন্দরের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক এবং সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহাদাত হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌপথে সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শিমুলিয়া থেকে লঞ্চে ৩৫৮টি ট্রিপ চলেছে। যাত্রী হিসেবে লঞ্চ ও স্পিডবোটে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার যাত্রী পার হন। বিআইডব্লিউটিসির তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাত থেকে আজ রাত ৯টা পর্যন্ত ফেরিতে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ পারাপার হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, রাত ৯টায় পদ্মা নদীতে প্রচণ্ড বাতাস সঙ্গে ধূলি ঝড় শুরু হয়। ফলে, রাত ১০টার পরিবর্তে ৯টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় শিমুলিয়ায় পারাপারের জন্য কোনো ছোট গাড়ি ছিল না। তবে, শতাধিক পিকআপ পারের অপেক্ষায় আছে।
তিনি জানান, শিমুলিয়া লঞ্চঘাট থেকে ৭ জন পকেটমারকে আটক করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিমুলিয়াঘাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দায়ে কাঠালবাড়ি ঘাট থেকে দুটি লঞ্চকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রাত সাড়ে ৯টায় বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহম্মেদ জানান, রাত ৯টা ১৫ মিনিট থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বৈরি আবহাওয়ার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হয়। ঘাট এলাকায় পারের অপেক্ষায় তেমন যানবাহন নেই। তবে যাত্রীর চাপ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।


