স্পট মার্কেট থেকে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে বাংলাদেশ
জরুরি ভিত্তিতে সরবরাহের জন্য স্পট মার্কেট থেকে আরও তিন কার্গো এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) গ্যাস কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ কাতারসহ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় মে মাসে সরবরাহের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত স্পট মার্কেট থেকে ১২টি এলএনজি কার্গো কেনার দরপত্র আহ্বান করেছে সরকার।
এপ্রিলের জন্য ৯ কার্গো এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে, তবে তা অনেক উচ্চমূল্যে।
ইরান যুদ্ধের পর থেকে সরবরাহ সংকটে এলএনজির দাম আকাশচুম্বী। কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি কমপ্লেক্সসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর উৎপাদন কেন্দ্র ও রপ্তানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশকে এখন প্রতি মিলিয়ন ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি আমদানিতে প্রায় ২০ ডলার গুনতে হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, স্বাভাবিক অবস্থায় এলএনজি কার্গোর গড় দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ১০-১১ ডলার।
আরপিজিসিএল গত ১ এপ্রিল তাদের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে দরপত্র আহ্বান করে।
বর্তমানে দেশে দৈনিক প্রায় ২ হাজার ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন কম থাকায় আমদানিকৃত এলএনজি দিয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ চাহিদা মেটানো যাচ্ছে।
চলমান যুদ্ধের কারণে ইরানের হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি ও সার সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশ্বের মোট তেলের ২৫-৩০ শতাংশ এবং এলএনজির ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়েই যাতায়াত করে।