এক্সপ্লেইনার

১০৯ বছর পর বদলে যাচ্ছে ব্রিটেনের ইসরায়েলনীতি?

স্টার অনলাইন ডেস্ক

ইসরায়েল যখন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের রক্তক্ষয়ী হামলার স্মরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সময় ইসরায়েল প্রতিষ্ঠায় ‘সহায়তাকারী’ যুক্তরাজ্য থেকে এলো এক ‘ইসরায়েলবিরোধী’ সংবাদ।

গত বছরও অক্টোবর হামলার স্মরণসভার আগে যুক্তরাজ্য থেকে ইসরায়েলকে পেতে হয়েছিল ‘হৃদয়বিদারক’ খবর। সে বছর ইসরায়েলের সব অনুরোধ উপেক্ষা করে ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

এ কথা সবাই জানেন যে—আজ থেকে প্রায় ১০৯ বছর আগের ঘটনা। তুরস্কের ওসমানীয় সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে ফিলিস্তিন অঞ্চল। সেখানে ইহুদিদের জাতীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার জেমস বেলফোর।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অর্থাৎ ১৯১৭ সালে ওসমানীয়দের হাত থেকে ফিলিস্তিনের দখল নেয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। তাদের সহায়তায় ফিলিস্তিন অঞ্চলে শুরু হয় গণহারে ইহুদি বসতি।

এরপর ১৯৪৮ সালে ইহুদি গোষ্ঠীর একাংশ ও সব আরব রাষ্ট্রের বিরোধিতা উপেক্ষা করে ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ করে ইহুদিদের জন্য ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয়।

মূলত যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ সেই সময়ের বিশ্বশক্তিগুলোর যৌথ প্রচেষ্টায় ফিলিস্তিনিদের জমিতে ইসরায়েল গঠন করা হয়। তবে ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্রের তালিকার ওপরের দিকেই ছিল যুক্তরাজ্যের নাম।

বিতর্কিত ‘বেলফোর ঘোষণার’ প্রায় আট দশক পর অবশেষে ইসরায়েলনীতি বদলে ফেলছে যুক্তরাজ্য।

গত ১ অক্টোবর যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদনে এ বিষয়টি জানানো হয়।

১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ঐতিহাসিক ফিলিস্তিন অঞ্চলে ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের জন্য সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকারের প্রস্তাবটিই ‘বেলফোর ঘোষণা’ হিসেবে পরিচিত।

লেবার পার্টির সম্মেলনে ‘মোড় ঘোরানো’ ঘোষণা

এতদিন পর্যন্ত ইসরায়েল-নীতির প্রতি অন্ধ সমর্থন জানিয়ে ফিলিস্তিনিদের দুর্দশাকে উপেক্ষা করে গেছে লন্ডন।

তবে সম্প্রতি লিভারপুলে দেওয়া এক বক্তব্যে সুর বদলানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড।

ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির বার্ষিক সম্মেলনে ইহুদি ধর্মাবলম্বী মিলিব্যান্ড বলেন, ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকারের জন্য যারা সোচ্চার হয়েছেন, তারা ঠিক কাজটিই করেছেন।

বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে লিভারপুলে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি ও তার দলের অন্যান্য নেতারা একই সুরে কথা বলেছেন।

মিলিব্যান্ড আরও বলেন, ‘আমি এই দেশের এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষকে বলতে চাই, ফিলিস্তিনিদের দুর্দশায় যারা ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন, আমরা আপনাদের কথা শুনছি।’

‘আপনারা সঠিক ছিলেন,’ যোগ করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ডাউনিং স্ট্রিটের এই ঘোষণা ইসরায়েল-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের মোড় ঘোরাতে পারে।

পশ্চিমতীরে ইহুদি বসতিকারীদের পণ্যে ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞা

এর আগে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইহুদি বসতিকারীদের উৎপাদিত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে যুক্তরাজ্য।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৮ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ঘোষিত এ সিদ্ধান্তকে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যুতে লন্ডনের সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপগুলোর অন্যতম।

পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেন মিলিব্যান্ড। তিনি অভিযোগ করেন, বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন চালাচ্ছে।

এ ঘোষণাকে যুক্তরাজ্যের ইসরায়েল-নীতির সামগ্রিক পুনর্বিন্যাস বলে বর্ণনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

গত ৯ সেপ্টেম্বর মার্কিন সাময়িকী ফরচুন-এর প্রতিবেদনে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নামের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়।

বার্নাম বলেন, ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোই ব্রিটেনের ঐতিহ্য, আর নিজেদের ঘরবাড়ি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদের শিকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো যুক্তরাজ্যের দায়িত্ব।’

বিশেষজ্ঞদের মত

আরব-ব্রিটিশ সম্পর্কবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ক্রিস ডয়েল বলেন, লেবার পার্টির নেতাদের সুর বদলের বিষয়টি প্রশংসনীয়।

তিনি মত দেন, ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে ব্রিটেনের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দেশের শান্তিকামী সাধারণ মানুষের যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তা এ ধরনের উদ্যোগে কমে আসতে পারে।

গত তিন বছরে কনজারভেটিভ ও লেবার পার্টির ইসরায়েল নীতির বিরোধিতা করেছে নাগরিক সংগঠনগুলো। শুধু ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো ওই নীতির পক্ষ নেয়।

ডয়েল জানান, ওই সময়ে মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে সরাসরি প্রশ্ন এড়িয়ে যেতেন অথবা বলতেন, বিষয়টি অত্যন্ত জটিল।

গত তিন বছরে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর ও বিশ্বের অন্যান্য স্থানে লাখো মানুষ ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সরকারি বয়ানে এসব বিক্ষোভকে ‘ইহুদিবিদ্বেষের’ উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

ডয়েলের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ঋষি সুনাকের কনজারভেটিভ ও কিয়ার স্টারমারের লেবার সরকার—উভয়ই গাজায় ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে বলে স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের অবস্থান বিতর্কের জন্ম দেয়। তিনি মত দেন, এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ‘অধিকার’ ইসরায়েলের রয়েছে। তার এই জবাব বেশ বিতর্কিত হয়।

গত বছর এক বিরল ঘটনার জন্ম দিয়ে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি হাউস অব কমন্সে বলেছিলেন, গাজায় ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে।

পরে ডাউনিং স্ট্রিটের চাপের মুখে তাকে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়।

তখন বলা হয়েছিল, ইসরায়েল কেবল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ‘ঝুঁকিতে’ রয়েছে।

তুলনামূলকভাবে বার্নামের সরকার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অনেক বেশি কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বলে তিনি মত দেন।

ডয়েলের মতে, মিলিব্যান্ডের সাম্প্রতিক বক্তব্যেও প্রশ্ন তোলার সুযোগ আছে। মিলিব্যান্ড জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীরা সঠিক ছিলেন। তবে ঠিক কোন কোন বিষয়ে তারা সঠিক ছিলেন, তা তিনি জানাননি।

তা সত্ত্বেও সরকারকে সাধুবাদ দিতে চান ডয়েল।

আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের যে বাধ্যবাধকতা আছে, তা রক্ষা করতে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যথেষ্ট নয়—এমন মত দিয়ে ১৩০ জনের বেশি আইন বিশেষজ্ঞ চিঠি পাঠিয়ে বার্নামকে সতর্ক করেন।

তাদের মধ্যে ছিলেন লন্ডনের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজের (সোয়াস) অধ্যাপক নিমের সুলতানি।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য মর্নিং স্টারের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

নিমের সুলতানি বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড অধিগ্রহণ কোনো অনিয়মিত ঘটনা নয়। এটি এখন পরিকল্পনামাফিক করা হচ্ছে। ইসরায়েলিদের এই কার্যক্রম বন্ধে যুক্তরাজ্যের সরকারকে তাৎক্ষণিক, কার্যকর ও স্বয়ংসম্পূর্ণ উদ্যোগ নিতে হবে। অনিয়মিত উদ্যোগ কোনো কাজে আসবে না।’

একই চিঠিতে সই করেন ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের আন্তর্জাতিক আইনবিষয়ক অধ্যাপক র‍্যালফ ওয়াইল্ড।

একইদিনে দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে তার বক্তব্য উঠে আসে। ব্রিটিশ সরকারের পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানালেও এর সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন এই শিক্ষাবিদ ও গবেষক।

যুক্তরাজ্য যে ইসরায়েলিদের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বসতি স্থাপনকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়েছে, সে বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি মত দেন—এটি একটি ‘উল্লেখযোগ্য ও মোড় ঘোরানো ঘটনা’।

তবে আরব লিগের সাবেক আইনবিষয়ক উপদেষ্টা র‍্যালফের মতে, এসব উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এখানে সবচেয়ে বড় বিষয়টি হচ্ছে যে ইসরায়েলের দিকে নজর না দিয়ে শুধু অবৈধ বসতি ও বসতি স্থাপনকারীদের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।

‘সেখানে ইসরায়েলের উপস্থিতিকে অবৈধ আখ্যা দেওয়া আর শুধু অবৈধ বসতি ও বসতি স্থাপনকারীদের দিকে নজর দেওয়ার মধ্যে ব্যবধান আছে। যদি বসতি নিয়ে সমস্যা থাকে, এর অর্থ হলো যে রাষ্ট্র এগুলো হতে দিচ্ছে, তারাই সমস্যার মূলে,’ যোগ করেন তিনি।

শেষ কথা

ইসরায়েল গণহত্যা করছে—এমন বক্তব্যের জবাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্টারমার বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন। তার ভাষ্য: এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে পারে কেবল আদালত।

এর বিপরীতে, বর্তমান ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিব্যান্ড তার বক্তব্যে আরও শ্রদ্ধাশীল অবস্থান নেন।

তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে উত্থাপন করা যথার্থ হয়েছে। আদালত যাতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে, আমরা তাকে সমর্থন করি—এটি আমি স্পষ্ট করতে চাই।’

এর মাধ্যমে আদালত যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, তা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। একইসঙ্গে এটিও স্পষ্ট হচ্ছে যে, বিষয়টি নিয়ে কথা বলা এখন আর ‘নিষিদ্ধ’ বা ‘অগ্রহণযোগ্য’ নয়।

অপরদিকে, কনজারভেটিভ পার্টির বর্তমান নেতৃত্ব ইসরায়েলের সমালোচনার সামান্যতম উদ্যোগও দেখায়নি।

বরং দলটির নেতা কেমি বাডেনক ও ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম টুগেনহাট ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেন।

তবে যুক্তরাজ্যের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

বাস্তবে দেখা যায়— ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যুক্তরাজ্য বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরিবর্তে নেতৃত্ব দিয়েছে। আরও ১১টি দেশ যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। ইসরায়েলও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়নি।

কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ বলেছিলেন, নিষেধাজ্ঞাটি কেবল ‘প্রতীকী’ ও ‘লোক দেখানো’ পদক্ষেপ। তবে বাস্তবতা ভিন্ন।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বসতি সম্প্রসারণ প্রকল্প ‘ই১’ থেকে পিছিয়ে এসে তা দেশটির আসন্ন নির্বাচনের পর পর্যন্ত স্থগিত করেছে।

কলাম লেখক ডয়েলের মতে, ইউরোপ ও কানাডার চাপ এতে প্রভাব ফেলেছে।

গাজায় গত তিন বছর ধরে চলা গণহত্যার পরও যুক্তরাজ্যের ইসরায়েলপন্থি গোষ্ঠীগুলো তেল আবিবের ‘প্রতিনিধিত্ব’ করে চলেছে। তারা হয় ইসরায়েলি নৃশংসতার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করছে, নয়তো ইসরায়েলি বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে চলেছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে অতীতে সংঘটিত অসংখ্য যুদ্ধাপরাধ নিয়ে বিতর্কের পথও বন্ধ করে দিচ্ছে।

গত তিন বছরে গাজার গণহত্যা নিয়ে ডাউনিং স্ট্রিট ও তেল আবিবের বক্তব্য ছিল এক ও অভিন্ন।

তবে যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নামের পূর্ণ সমর্থন নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিব্যান্ড যুক্তরাজ্যে এই বিতর্কের পুরো চিত্রই বদলে দিচ্ছেন। সরকারের নীতি ও অবস্থান হয়তো এখনো নিখুঁত নয়, তবে তারা সঠিক দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

লিভারপুলে যা স্পষ্ট হয়েছে তা হলো, অতীতের সরকারগুলোর মতো এই সরকার চাপ এলেই ভেঙে পড়বে না বা গণহত্যাবিরোধী অবস্থান থেকে সরে আসবে না।