কুষ্টিয়া

সীমান্তের শূন্যরেখায় তপ্ত দিনের পর অনিশ্চিত রাত কাটবে ১২ জনের, পতাকা বৈঠক কাল

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুরে ভার‍ত-বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্যরেখায় প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দুর্বিষহ দিন কাটালেন নারী-শিশুসহ ১২ জন। মাঝে মাঝে খাবার পানি নিয়ে মাথাভাঙ্গা নদীর সাঁকো পাড়ি দিয়ে ছুটে গেছেন বাংলাদেশিরা।

শুক্রবার ভোরে প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ওই ১২ নারী-পুরুষ-শিশুকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

এই ১২ জনের বিষয়ে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। সীমান্তের ওই শূন্যরেখায় ইতোমধ্যে নেমেছে আতঙ্কের রাত।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিজিবি-৪৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আগামীকাল পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আপাতত ওই ১২ জনকে সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকতে হচ্ছে।'

তাদের মধ্যে ৪ জন নারী, ৪ জন পুরুষ ও ৪ শিশু রয়েছে। এক শিশুর বয়স এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে।

ভোরে প্রথমে তারা বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে পড়েন। তাদের দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা বিজিবিকে জানায়। পরে বিজিবি ও স্থানীয়দের তৎপরতায় সীমান্তের শূন্যরেখায় ফেরত পাঠানো হয় ১২ জনকে।

দুপুর দেড়টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, ৪৮ নম্বর পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় নারী-পুরুষ-শিশুসহ ১২ জন জমিতে অবস্থান করছেন। আর মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে স্থানীয় বাংলাদেশি, বিজিবি সদস্য ও গণমাধ্যম কর্মী।