রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা আজ

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কার্যক্রম আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ভোটগ্রহণের সময় নির্ধারিত হয়েছে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

আগামী ১৬ আগস্ট সকাল ১০টায় মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু হবে এবং কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা চলবে। গত ৬ আগস্ট নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীরা ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন।

আইন অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন এই নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত সিইসির কার্যালয় থেকে তিনটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ইসি থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

এর পরের দিন রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ১১–দলীয় জোটের একটি প্রতিনিধিদল।

গতকাল বুধবার প্রকাশিত একটি গেজেট অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের দিন সংসদে কোনো অধিবেশন বসবে না। তবে ভোট পরিচালনার জন্য সিইসি সংসদে একটি বিশেষ সভা আহ্বান করবেন।

একই দিনে নির্বাচন কমিশন তাদের ওয়েবসাইটে ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে ভোটদানকারী ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসির তথ্যমতে, সংসদ সদস্যরা তাদের নির্ধারিত আসনে বসবেন। তারা তিনটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করে ভোট দেবেন এবং কোনো গোপন বুথ থাকবে না। ভোটগ্রহণ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে এবং সাংবাদিকদের বসার ব্যবস্থা করা হতে পারে।

এর আগে মঙ্গলবার ইসি ভোটদান পদ্ধতি এবং ব্যালট পেপার নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়। ইসি জানায়, ব্যালটের দুটি অংশ থাকবে— কাউন্টার ফয়েল বা মুড়ি অংশ এবং ভোট। বাম অংশে থাকবে ক্রমিক নম্বর, ভোটারের নাম, বিভাগীয় নম্বর এবং ব্যালট সংগ্রহের জন্য সই করার জায়গা।

ব্যালটের ডান দিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম ছাপা থাকবে এবং প্রতিটি নামের পাশে সংসদ সদস্যদের পূর্ণ নাম লেখা ও সই করার জন্য জায়গা রাখা হবে।

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের পর থেকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সংবিধান এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ১৯৯১ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়।