জামালপুরে গ্যাস না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ, ৩ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক
গ্যাস না পাওয়ার প্রতিবাদে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সিএনজি অটোরিকশার চালকেরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিট থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধে মহাসড়কে প্রায় দুই কিলোমিটার যানজট তৈরি হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে চালকেরা অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
সকালে জামালপুরের একটি গ্যাস পাম্পের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন চালকেরা। পরে তারা মহাসড়কে অবস্থান নেন। এতে মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও প্রয়োজনমতো গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। গ্যাস নিতে দিনের বড় একটি সময় পাম্পের সামনে অপেক্ষা করতে হয়। এতে কাজের সময় কমে যাচ্ছে, কমছে আয়ও। ফলে পরিবার চালাতে কষ্ট হচ্ছে তাদের।
অবরোধের কারণে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও কর্মজীবী মানুষ। দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থেকে অনেক যাত্রীকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা যায়।
চালকেরা জানান, জামালপুরে দীর্ঘদিন ধরে জাবেদ ফিলিং স্টেশন নামে একটি পাম্পে সিএনজি অটোরিকশায় গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। জেলা বিআরটিএ কার্যালয়ে নিবন্ধিত সিএনজির সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। এর বাইরে অন্য জেলা থেকে আসা সিএনজিসহ জেলায় চলাচল করা মোট সিএনজির সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার বলে তাদের দাবি।
সিএনজি চালক আরিফ মিয়া বলেন, প্রায় পাঁচ হাজার সিএনজির জন্য মাত্র একটি পাম্প। তাই প্রতিদিন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক দিন বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও গ্যাস নিতে হয়। এতে দিনের আয় কমে যায়। ওই আয় দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে আমরা মহাসড়ক অবরোধ করেছি।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব বলেন, গ্যাস পাম্প ও গ্যাসের সংকটের কারণে সিএনজি চালকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন, এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে চালকদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য বোঝানো হয়।
ওসি বলেন, সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে চালকেরা অবরোধ তুলে নেন। এখন মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।