বারবার কর্নওয়ালিসদের কাছেই ফিরবো?
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত বছর ১৯৭১, ১৯৯০ ও ২০২৪। এই তিন বছরের রাজনৈতিক, সামরিক ও সামাজিক ঘটনাবলী নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, বই-পুস্তক লেখা হয়েছে বিস্তর। একই জনপদ তিনবার ওই তিন সময়ে প্রতিপক্ষের চাহিদামতো প্রাণ উৎসর্গ করে রাষ্ট্রনৈতিক প্রত্যাশাকে অর্জন করতে চেয়ে। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে।
কৌতূহল উদ্দীপক হলো, ব্যর্থতার সেসব বছরগুলো নিয়ে ইতিহাসে বেশি আলাপ নেই। অদ্ভুত এক নাগরিক সমাজ আমরা। কেবল গৌরব নিয়ে আত্মশ্লাঘায় ভুগি। গৌরবের অপমৃত্যুর গল্পগুলো এড়িয়ে যাই। ব্যর্থতার ময়নাতদন্তে বিব্রতবোধ করি। অথচ এখন বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কথা হওয়া দরকার ১৯৭২, ১৯৯১ ও ২০২৫-২৬ নিয়ে।
গ্রামসি রাষ্ট্রের ভেতর দুটি সমাজের কথা বলতেন—সিভিল সমাজ ও রাজনৈতিক সমাজ। বাংলাদেশের সিভিল সমাজ এ মুহূর্তে তার রাজনৈতিক সমাজকে নিয়ে হতবিহ্বল অবস্থায় পড়েছে। রাষ্ট্র সংস্কারের যাবতীয় আয়োজন ও উচ্ছ্বাস সজোরে হোঁচট খেল রাজনৈতিক সমাজে যেয়ে। নবীন সংসদ সিভিল সোসাইটিকে জানিয়ে দিল, তার রাজনৈতিক প্রত্যাশা এখনই পূরণ হচ্ছে না। কবে কীভাবে সেটা মিটবে তারও কোনো রোডম্যাপ নেই।
বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। অথচ এই দল জুলাই সনদকেন্দ্রীক গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচার চালিয়েছিল। স্পষ্টত প্রতারিত ও রিক্ততার একটা অনুভূতি সিভিল সোসাইটিকে থমকে দিয়েছে। ১৮ মাস আগের ট্রমাকে শান্ত ও সন্তুষ্ট করার মতো কিছু নেই এখন আর তার হাতে।
১৯৭২-৭৩-৭৪ এও এমন ঘটেছিল যুবক মুক্তিযোদ্ধাদের মনোজগতে। অস্ত্র জমা নিয়ে তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে হারাতে পারলেও তারা ক্রমে হেরে যাচ্ছিলো পুরোনো আমলাতন্ত্রের কাছে। নতুন নেতৃত্ব কর্নওয়ালিসের গড়ে যাওয়া আমলাতন্ত্রের ভেতরই ঠেসে দিচ্ছিলো আমূল বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে। একই দারোগা ব্যবস্থা, একই ডিসি অফিস, একই ভূমি অফিস, একই প্রভু-ভৃত্য সম্পর্কের প্রত্যাবর্তন ১৭৯২ সালকেই ফিরিয়ে আনলো ‘স্বাধীন’ বাংলাদেশে।
১৯৯১-৯২ এও কোনো পরিবর্তন এলো না। সামরিক জান্তাকে পরাস্ত করা গেল। ছাত্ররা ‘দশ দফা’ কর্মসূচি তুলে দিল দুই নেত্রীর হাতে। প্রধান দুই দল পালা করে ‘ক্ষমতা’র চর্চা করে গেল, কিন্তু কর্নওয়ালিসতন্ত্র অক্ষত রেখেই। সঙ্গে বোনাস হিসেবে প্রচুর রাজনৈতিক অনাচার, সংগঠিত পেটোয়া বাহিনী, গুম, খুন, নির্বাচনী ব্যবস্থার অবক্ষয় যুক্ত হলো।
আবারও সিভিল সোসাইটি শূন্য থেকে শুরু করলো। এবার ‘রাষ্ট্র মেরামতে’ সবার আগে এগিয়ে এলো স্কুল-কলেজের বালক-বালিকারা। সড়কের অনাচার দেখেই তারা বুঝলো অফিস-আদালতে কী হচ্ছে। এই শিক্ষার্থীরাই পরে কোটাভিত্তিক অসমতা রুখতে রাস্তায় নামে আবার।
কয়েক বছর পর ওরাই কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে রাস্তায় নামলো। সেই আন্দোলনই রাষ্ট্র সংস্কারের গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হলো ‘৩৬ জুলাই’। অন্তর্ভুক্তিমূলক এক সমাজ গড়ার আকাঙ্ক্ষায় আবারও নতুন এক ১৬ ডিসেম্বরের জন্ম হলো বাংলাদেশে। তার ধারাবাহিকতায় ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোট হলো। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শিক্ষানবিসের মতো নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে মূল জুলাইয়ের রাজনৈতিক-প্রশাসনিক দাবি-দাওয়ার সামান্য অংশ গণভোটে পাঠালো। সেটা অনুমোদিতও হলো।
গণভোট প্রক্রিয়ায় উপস্থাপনাগত ত্রুটি ছিল এবং সংস্কার চাপিয়ে দেওয়ার জবরদস্তিমূলক ভঙ্গীও অস্পষ্ট ছিল না। কিন্তু জনগণের সাধারণ যৌথ ইচ্ছার প্রকাশ ও প্রয়োজন হিসেবে ভোটাররা সংখ্যাগরিষ্ঠ ‘হ্যাঁ’র পক্ষ নিলেন। সে-ই জনতার অংশ ছিল বিএনপিপন্থীরাও।
কিন্তু এখন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হতে চাইছে না বিএনপি। ইঙ্গিত নেতিবাচক। তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে সাতটির অক্সিজেন সংযোগ খুলে নিয়েছে, ১৫টির সংশোধনী এনে দাঁত ও নখ তুলে নেওয়া হয়েছে, ১৬টির দাঁত ও নখ উপড়ানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে এবং বাকি ৯৭টি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অনুমোদন দিয়েছে।
সরকার ও সংসদের গত দুই মাসের মনোভঙ্গীর বার্তা স্পষ্ট। তারা ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে স্রেফ একটা ‘রেজিম চেঞ্জের ভোট উৎসব’ হিসেবে দেখছে। যেন তারা আওয়ামী লীগ সরকার থেকে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা পেয়েছে; যেন ১২ ফেব্রুয়ারি ছিল শুধুই সরকার পরিবর্তনের একটা নির্বাচন; যেন মাঝখানে ‘লাল জুলাই’ বলে কিছু হয়নি; যেন প্রায় ১৫-২০ দিনের ভেতর এক হাজার মানুষ শহীদ হয়নি; যেন হাজার হাজার কিশোর-তরুণ গ্রাফিতি এঁকে কিছু বলতে চায়নি; যেন একটা সরকার সংসদশুদ্ধ ও গোষ্ঠীশুদ্ধ পালায়নি; যেন অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে অস্বাভাবিক একটা সরকার গঠন করতে হয়নি।
অথচ এই পুরো সময় বিএনপি ছিল বড় দল হিসেবে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অভিভাবক। তার পরামর্শ ছাড়া, মতামত ছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন অস্বাভাবিক সরকার এক কদমও এগোয়নি। অন্তত বারবার মিডিয়াকে দেওয়া ড. ইউনূসের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের হাস্যোজ্জ্বল ছবিগুলো তার প্রমাণ। জুলাই সনদে বিএনপির সইও তার সাক্ষ্য।
কিন্তু ইতোমধ্যে গণঅভ্যুত্থানের সরকারের অধিকাংশ মৌলিক ধাঁচের আইনগত সংস্কার তামাদি হয়ে গেছে। গুম প্রতিরোধে, মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে, বিচার বিভাগের স্বায়ত্তশাসন বাড়াতে যেসব অধ্যাদেশ হয়েছিল সেগুলো রাজনৈতিক সরকারের অনাগ্রহের গহ্বরে হারিয়ে গেল।
স্ববিরোধিতাগুলো বেশ করুণ। বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারের একদম শুরুতে বলেছিল, তারা ‘৩১ দফা’ সংস্কার ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন করবে।
‘৩১ দফা’র ১৩তম দফায় বলেছিল, গুম-খুন-বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অবসান ঘটাবে। অন্যদিকে, নির্বাচনী ইশতেহারে বলা ছিল, গুম প্রতিরোধ ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মানবাধিকার কমিশন বিষয়ে একই প্রতিশ্রুতিনামায় বলা ছিল, ক্রসফায়ারসহ অমানবিক অপরাধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে যুক্তদের সুবিচার নিশ্চিত করবে তারা।
নির্বাচনী ইশতেহারে সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয়কে আরও শক্তিশালী করার কথাও বলেছিল। জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করবে এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে—এমনও কথা ছিল। ‘৩১ দফা’র নবম দফায় ছিল ‘মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে।’
এসব বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যাদেশগুলোতেও একই ধরনের সংস্কার কথাই ছিল। সদ্য কার্যকারিতা হারানো সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশে ছিল, সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করবে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে স্বতন্ত্র এই কাউন্সিল যোগ্য ব্যক্তির নাম রাষ্ট্রপতি বরাবর সুপারিশ করবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশে বিচারকাজে নিয়োজিত বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত পৃথক সচিবালয়ের নিয়ন্ত্রণে আনতে চেয়েছে। তাতে করে অধস্তন আদালতে রাজনৈতিক সরকারের হস্তক্ষেপ কমতো। প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রকৃত ও প্রত্যাশিত অভিভাবক হতেন। যা বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রয়োজন ছিল এবং বিএনপির ‘৩১ দফা’ ও ‘ইশতেহারে’র সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণই ছিল।
অথচ অধ্যাদেশগুলো অকার্যকর করে দেওয়া হলো।
গত দেড় দশক যত গুম-খুন হয়েছে, শক্তিশালী ও স্বাধীন একটা মানবাধিকার কমিশন থাকলে নিশ্চয়ই তাতে কিছু বাধা দেওয়া যেতো। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটা অধ্যাদেশে বিভিন্ন বাহিনীর কারো বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ উঠলে তার স্বাধীন তদন্তের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেটাও আটকে গেল, অকার্যকর হলো।
গত ৫৫ বছর ধরে গুম-খুন বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বড় এক অন্ধকার অধ্যায় হয়ে আছে। বিগত সময়ে গুম ও খুনের শিকারদের মধ্যে দল হিসেবে বিএনপির কর্মীদের সংখ্যা বিপুল। জানি না, সংসদে যখন মানবাধিকার ও গুম-খুনের অধ্যাদেশগুলো অকার্যকর হচ্ছিলো, স্বজন হারানো বিএনপি-সমর্থক পরিবারগুলো তখন কী ভাবছিলেন। নিশ্চয়ই ‘সকল ধরনে’র আমলাতন্ত্রের জন্য মুহূর্তটা ছিল স্বস্তির।
রাষ্ট্রীয় পরিসরের উপনিবেশিক সংস্কৃতি ও কাঠামোর সংস্কারের জন্য নিশ্চিতভাবে প্রধান যেটা দরকার তা হলো, নিজেদের উপনিবেশিক মন বদলানো। ‘পরিবর্তনে’র মানবিক তাগিদ বোধ করা। সেই সূত্রেই আসে রাজনৈতিক অঙ্গীকার। সংসদের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা ইংগিত দিচ্ছে, আমরা কর্নওয়ালিসদের কাছেই থাকতে চলেছি। পরিবর্তনের জন্য আমাদের আত্ম-তাড়না এখনও তৈরি হয়নি। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত নয়।
এও আবার দেখতে হচ্ছে, সংসদে যখন কোনো এক দলের অত্যধিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে, তখন বিরোধী দল কথার প্রতিবাদ ও ওয়াকআউটের বাইরে আর কিছুই করতে পারে না। কিন্তু ৫৫ বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার পর বাংলাদেশ সংসদকে আবারও পাঁচ বছরের ‘টকিং ক্লাব’ বা জ্বালাময়ী ভাষণের মঞ্চ হিসেবে দেখতে চায় না। অথচ এবারও আমরা এমন কিছু পেলাম না যে, সরকারি দল ও বিরোধী দল তর্ক-বিতর্ক শেষে যৌথ অংশীদারিত্বে সংস্কারধর্মী কোনো একটা আইন তৈরি করেছে। বরং আমরা ‘জুলাই’ হারিয়ে যাওয়ার স্পষ্ট আলামত দেখলাম। মনে হলো জোর করেই যেন বিএনপি জুলাইয়ের এজেন্সি এমন সব শক্তির হাতে তুলে দিতে চাইছে, যারা আসলে ঐতিহাসিকভাবে ‘কলোনিয়াল স্থিতিশীলতা’র পক্ষের শক্তি। বিএনপি, বাংলাদেশ ও ‘জুলাই’ সবাই মিলে হারতে বসেছে এভাবে।
বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন বটে, তারা নিজেদের মতো করে জুলাই সনদের সবকিছু বাস্তবায়ন করবেন। এও সত্য, মাত্র দুই মাস বয়সী একটা সরকার ও সংসদকে অবশ্যই আরও সময় দিতে হবে। আরও অপেক্ষা করতে হবে নাগরিক সমাজকে।
কিন্তু বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ বড় দুর্ভাগা। তারা বারবার প্রতারিত হয়ে ভীত, শঙ্কিত। তারা ১৯৭২ থেকে অপেক্ষা করছে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ বাস্তবায়ন দেখতে, ১৯৯১ থেকে অপেক্ষায় আছে ‘ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের দশ দফা’র কার্যকারিতা দেখতে, গত প্রায় ২১ মাস বসে আছে লাল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার পরিণতি বুঝে নিতে। লাগাতার এরকম অনিশ্চিত অপেক্ষা ‘সমাজ’কে একদিকে ক্রমে দক্ষিণপন্থার কাছে আত্মসমর্পণে বাধ্য করছে, অন্যদিকে দেশজুড়ে কর্নওয়ালিসতন্ত্র প্রতিনিয়ত নিজেকে গঠন ও পুনর্গঠন করে নিচ্ছে।
তিন দফায় বিপুল প্রাণ উৎসর্গ করেও ‘নাগরিক’রা কতিপয় ব্যক্তির ‘ভৃত্য’ মাত্র। আবার, ৫৫ বছর পরও ২৮ ভাগ মানুষ দরিদ্র, উৎপাদন সম্পর্কের সংস্কার নেই। প্রশ্ন ওঠে, আমাদের স্বাধীনতা, গণঅভ্যুত্থান ইত্যাদি কতটা আর গৌরব করার মতো? আমরা কি আসলেই ‘জিরো পয়েন্ট’ থেকে এগোতে পারছি?
আমাদের অলিগার্কিদের জন্য আদৌ কিন্তু উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু ঘটাতে পারেনি ২০২৪, ১৯৯০, ১৯৭১! আমাদের নাগরিক সমাজের উচিত স্বচ্ছ আয়নায় স্বদেশের মুখ দেখে নতুন করণীয় ঠিক করা।
আলতাফ পারভেজ: গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক