সিটির বিরুদ্ধে ১১৪ অভিযোগ, রদ্রির বিশ্বাস ‘ক্লাব নির্দোষ’

স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যানচেস্টার সিটির ওপর ১১৪টি অভিযোগের রায় এখনো প্রকাশ হয়নি, শাস্তিও ঘোষণা করা হয়নি। তবে শুক্রবারের খবরেই ইংলিশ ফুটবলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। পয়েন্ট কাটা থেকে অবনমন, এমনকি আগের শিরোপা কেড়ে নেওয়ার মতো সম্ভাবনাও ঘুরছে আলোচনায়। এমন পরিস্থিতিতে সাবেক সিটি মিডফিল্ডার রদ্রির বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত নির্দোষ প্রমাণিত হবে সিটি।

শুক্রবারের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রিমিয়ার লিগের আনা ১১৪টি অভিযোগেই ম্যানচেস্টার সিটি দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। তবে এখনো সেই রায় প্রকাশ করা হয়নি। অভিযোগগুলোর মধ্যে খেলোয়াড় ও কোচদের পারিশ্রমিক এবং অর্থপ্রদানের বিষয়ে সঠিক তথ্য না দেওয়া এবং আর্থিক স্থায়িত্বসংক্রান্ত নিয়ম ভঙ্গের বিষয় রয়েছে।

স্পেনের হয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নেশনস লিগের ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে রদ্রিকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তার কাছে পরিস্থিতিটি ২০২০ সালের ঘটনার সঙ্গে পরিচিত বলেই মনে হয়েছে।

‘আমরা ২০২০ সালেও একই ধরনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গিয়েছিলাম। ক্লাব সবসময় আমাদের আশ্বস্ত করেছিল যে তারা কোনো অন্যায়ের জন্য দায়ী সাব্যস্ত হবে না, কোনো শাস্তিও পেতে হবে না, কারণ তারা কোনো অনিয়ম করেনি। আমরা ক্লাবকে বিশ্বাস করেছিলাম এবং শেষ পর্যন্ত ক্লাব নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিল,’ বলেন রদ্রি।

২০২০ সালে উয়েফা আর্থিক ন্যায্যতা বা আর্থিক হিসাবসংক্রান্ত নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটিকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের জন্য ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করেছিল। পরে ক্রীড়া সালিসি আদালতে আপিল করে সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করিয়ে নেয় ইংলিশ ক্লাবটি।

সিটির হয়ে ১২টি বড় শিরোপা জেতা রদ্রি আরও বলেন, ‘আমি ক্লাবটির ওপর বিশ্বাস রাখি। ক্লাবটিকে আমি খুব ভালোভাবে চিনি। সেই সময় তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছিল যে তারা সবকিছু নিয়ম মেনেই করেছে। তাই আমার বিশ্বাস, এবারও শেষ পর্যন্ত ক্লাবটি ছাড় পাবে।’

সিটির হয়ে ২০২৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের ফাইনালে একমাত্র গোলটি করেছিলেন রদ্রি। ক্লাবটির হয়ে তার শেষ দুই মৌসুম অবশ্য চোটের কারণে ব্যাহত হয়েছে। তবে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপে দারুণ পারফরম্যান্সের পর ইউরো ২০২৪ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। সেই বছরই জেতেন ব্যালন ডি’অর।

এবারও বিশ্বের সেরা ফুটবলারের পুরস্কারের দৌড়ে আছেন রদ্রি। কিলিয়ান এমবাপে কিংবা তার স্পেন সতীর্থ লামিনে ইয়ামালের মতো অন্য কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বীর মতো অবশ্য নিজের পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালানোর প্রয়োজন মনে করেন না তিনি।