ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

চোট শঙ্কা উড়িয়ে এমবাপে বললেন ‘আমি একদম ঠিক আছি’

স্পোর্টস ডেস্ক

কিলিয়ান এমবাপের দারুণ গোলের পর ততক্ষণে গোল পেয়ে গেছেন উসমান দেম্বেলেও। পুরো নিয়ন্ত্রণে থাকা ম্যাচে অনায়াসে জেতার রাস্তায় তখন ফ্রান্স। এমন সময় আচমকাই ভক্তদের কিছুটা যেন চিন্তায় ফেললেন এমবাপে। গোড়ালির আঘাতে মাঠে বসে পড়লেন তিনি, এবং দ্রুত বদলিও হয়ে গেলেন। তবে ম্যাচ শেষে তাকে পাওয়া গেল ফুরফুরে অবস্থায়। গোড়ালিতে একটু আঘাত লাগার বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেননি এই তারকা। স্পষ্ট বললেন, ‘আমি একদম ঠিক আছি।’

বস্টন স্টেডিয়ামে (জিলেট স্টেডিয়াম) মাঠের মধ্যেই ফ্রান্সের ফিজিওর কাছ থেকে চিকিৎসা নেন এমবাপে। এরপর ৭৭তম মিনিটে তার পরিবর্তে জঁ-ফিলিপ মাতেতাকে মাঠে নামানো হয়।

২৭ বছর বয়সী এই তারকা দর্শকদের উদ্দেশ্যে তালি দিতে দিতে মাঠ ছাড়েন এবং তাকে খুব বেশি যন্ত্রণার মধ্যে আছেন বলে মনে হয়নি। পরবর্তীতে টেলিভিশন ফুটেজে দেখা যায়, এমবাপে তার ডান পায়ে বরফ বেঁধে বেঞ্চে বসে আছেন।

ম্যাচ শেষে এমবাপে বলেন, ‘আমি একদম ঠিক আছি। গোড়ালিতে একটু আঘাত পেয়েছিলাম, তবে সব ঠিক আছে। শেষ ১৫ মিনিট খেলার জন্য আমার চেয়ে জেপি [মাতেতা] বেশি উপযুক্ত ছিল।’

ইএসপিএন সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ‘কিলিয়ানের গোড়ালি নিয়ে চিন্তিত হওয়ার মতো কিছু নেই।’

জয়ের পর এমবাপে মুখে হাসি নিয়ে মাঠের মধ্যে এবং দলের ড্রেসিংরুমে সমর্থকদের সঙ্গে উদযাপনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

গত বিশ্বকাপে কাতারে সেমিফাইনালে মরক্কোকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল ফ্রান্স। এবারও ব্যবধান থাকল একই। দলের জয়ে বড় অবদান এমবাপের। ডেডলক ভেঙে দারুণ শটে তিনিই এগিয়ে নেন দলকে। অবশ্য প্রথমার্ধে তার সামনে ছিল সহজ সুযোগ, কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। সেই পেনাল্টি নেওয়ার আগে তিন মিনিটেরও বেশি অপেক্ষা করায় মনঃসংযোগ বিঘ্ন হওয়ার অভিযোগ ছিল তার।

আগামী মঙ্গলবার টেক্সাসের আর্লিংটনে সেমিফাইনালে ফ্রান্স মুখোমুখি হবে স্পেন অথবা বেলজিয়ামের। সামনের চ্যালেঞ্জটা যে আরও কঠিন টের পাচ্ছেন এই তারকা, ‘আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা জানি যে স্বস্তি পাওয়ার একটাই উপায় আছে, আর তা হলো জয়ী হওয়া। তবে আমাদের এখনও অনেক পথ বাকি। আমরা জানি সামনে যা আসছে তা আরও কঠিন হবে, তবে আমরা যেকোনো কিছুর মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। আমরা ভালোভাবে ক্লান্তি কাটিয়ে উঠব এবং আগামীকালকের ম্যাচটি (স্পেন ও বেলজিয়ামের) দেখব যে আমাদের কার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।’