৪৪তম বিসিএস নন–ক্যাডার: অবিলম্বে মন্ত্রণালয়ে ফাইল পাঠানোর দাবিতে মানববন্ধন
৪৪তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা অবিলম্বে তাদের ফাইল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন।
আজ সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) গেটের সামনে প্রায় ৫০ জন প্রার্থী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
তাদের দাবি, পিএসসি যেন পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের ফাইল প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। তারা মে মাসের মধ্যে ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা, গেজেট প্রকাশ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করারও দাবি জানান।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে পিএসসি। কিন্তু এখনো দুই হাজার ৯৬৮ জনের ফাইল এখনো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি বলে দাবি এই সুপারিশপ্রাপ্তদের।
তারা জানান, এই বিলম্বের কারণে তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন, কারণ ফাইল মন্ত্রণালয়ে না পৌঁছানো পর্যন্ত ভেরিফিকেশন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব নয়।
প্রার্থীরা বলেন, সাধারণত ফলাফল প্রকাশের ১৫ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে এসব ফাইল পাঠানো হয়। বিলম্বের কারণে জ্যেষ্ঠতা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তারা জানান, ৪৫তম বিসিএস নন-ক্যাডার প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময়সূচি এরইমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে, অথচ ৪৪তম বিসিএস প্রার্থীদের ফাইল এখনো পিএসসির কাছেই পড়ে আছে।
যদি ৪৪তম বিসিএসের আগে ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্তরা চাকরিতে যোগ দেন, তবে তা জ্যেষ্ঠতা নিয়ে প্রশাসনিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
এর আগে পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মতিউর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, কমিশন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করছে।
তিনি বলেন, বিশেষ করে কারিগরি নন-ক্যাডার পদগুলোর জন্য এই প্রক্রিয়ায় বাড়তি সময় লাগছে এবং ফাইলগুলো যত দ্রুত সম্ভব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর। প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ হয় ২০২২ সালের জুনে এবং লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের জানুয়ারির মধ্যে।
লিখিত পরীক্ষার ফল ২০২৪ সালের ৩ এপ্রিল প্রকাশিত হয়। পরে দুই ধাপে ভাইভা অনুষ্ঠিত হয়। ফেব্রুয়ারিতে নন-ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশের আগে ক্যাডারের ফল তিনবার সংশোধন করা হয়।