গবেষণাপত্রে এআই ব্যবহারের অভিযোগ, জাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শারমীন আক্তার শিমুর বিরুদ্ধে গবেষণাপত্রে ব্যাপক হারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
একইসঙ্গে জাপানে করা স্বল্পমেয়াদি কাজকে পোস্টডক্টরাল অভিজ্ঞতা হিসেবে উপস্থাপনের অভিযোগে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সিন্ডিকেট সদস্য দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, গতকাল অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ড. শারমীন আক্তার শিমুর পদোন্নতি অনুমোদন করেনি সিন্ডিকেট। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুল আলমকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) সৈয়দ মুহাম্মদ আলী রেজা।
গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত পদোন্নতি বোর্ডের সভায় সহযোগী অধ্যাপক পদে ড. শারমীন আক্তারের পদোন্নতি নিয়ে এসব অভিযোগ ওঠে। পরে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের নজরে আনা হয়।
সিন্ডিকেট সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে প্রকাশিত 'জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি এনভায়রনমেন্টাল বুলেটিনে' ড. শারমীন আক্তারের একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, গবেষণাপত্রটির ৬২ শতাংশ লেখা এআই-নির্ভর বা এআই-সহায়তায় তৈরি।
এদিকে, জাপানে তার দাবি করা পোস্টডক্টরাল অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, জাপানের একটি গবেষণাগারে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসের কাজকে তিনি পোস্টডক্টরাল অভিজ্ঞতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।