অ্যাটলাসের সিংহদের হুঙ্কার: সেমিফাইনালে আফ্রিকা ও আরবের প্রথম প্রতিনিধি মরক্কো
বিশ্বকাপের ৯২ বছরের দীর্ঘ ইতিহাসে সেমিফাইনালের দরজাটা আফ্রিকা মহাদেশের কাছে ছিল এক দুর্ভেদ্য দেয়াল। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের মরূদ্যানে আক্ষেপ আর দীর্ঘশ্বাসের এই অচলায়তনে ফাটল ধরায় মরক্কো।
৪ মে ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
চোখের পলকে ইতিহাস: ১০.৮ সেকেন্ডে স্বাগতিকদের স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন সুকুর
যে দেশে ফুটবল নিছক কোনো খেলা নয়, বরং যাপিত জীবনের স্পন্দন— এক সময় তিনি ছিলেন সেই দেশেরই চোখের মণি। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সরকারের রোষানলে পড়ে সেই হাকান সুকুরই আজ যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন।
৩ মে ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
সালেঙ্কো: স্বপ্ন সত্যি করে এক ম্যাচেই অমরত্ব
একাই পাঁচ গোল! এ তো যেন নিছকই এক ফ্যান্টাসি।
২ মে ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন
ঈশ্বরের হাত নাকি শয়তানের থাবা?
২০১০ সালের ২ জুলাই জোহানেসবার্গের সকার সিটি স্টেডিয়ামে ঘানা বনাম উরুগুয়ের ম্যাচটি ছিল ইতিহাস গড়ার মঞ্চ।
৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
জার্মানি বনাম জার্মানি: যখন পরাক্রমশালী পশ্চিমকে চমকে দিয়েছিল পূর্ব
কাঁটাতারের বেড়া, পাহারাদার কুকুর আর সশস্ত্র প্রহরীর ঘেরাটোপে মাঠের বাইরে যুদ্ধংদেহী মেজাজ থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে ছিল খেলোয়াড়সুলভ প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
লুইস মন্তি: দুই দেশের হয়ে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা ইতিহাসের একমাত্র ফুটবলার
জন্মভূমি আর্জেন্টিনার হয়ে শিরোপা না জিতলেও পরবর্তীতে ইতালির জার্সিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন তিনি। কীভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন তিনি? কী ছিল সেই প্রেক্ষাপট, পারফরম্যান্স আর অন্তরালের রোমহর্ষক গল্প?
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
বারুদের গন্ধ থেকে ঘাসের ঘ্রাণ: এক রক্তাক্ত মানচিত্রের ফুটবল-বিপ্লব
নব্বইয়ের দশকের শুরু। বলকান অঞ্চলের আকাশ নীল নয়, ক্রমাগত বিমান হামলার আগুনে সৃষ্ট কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। সাইরেনের শব্দে মাঠের খেলা থেমে যায়, ফুটবলারদের পায়ে ওঠে সেনাসদস্যের ভারী বুট। ক্রোয়েশিয়া তখন যেন মানচিত্রের সুনির্দিষ্ট কোনো রেখা নয়, এক রক্তাক্ত সংগ্রামের নাম।
২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
ফুটবলের নান্দনিকতা ছাড়িয়ে: বিশ্বকাপজুড়ে বিচিত্র সব অন্ধবিশ্বাসের রাজত্ব
ক্রীড়া মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই কুসংস্কারগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের ম্যাচগুলোতে এত বেশি প্রতিকূলতা থাকে, যা একজন খেলোয়াড়ের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তাই কোনো একটি আচার বা বিশ্বাস আঁকড়ে ধরা তাদের মনোযোগ ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
তোস্তাও: জেদ, বীরত্ব ও চিকিৎসককে বিশ্বজয়ের মেডেল উপহার
ফুটবলের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম সুন্দর মুহূর্তগুলো সব সময় কেবল প্রতিভা দিয়ে নির্মিত হয় না। এর পেছনে মিশে থাকে অসীম ত্যাগ আর খাদের কিনারা থেকে ফিরে আসার সাহস। তোস্তাও সেই অদম্য যোদ্ধারই নাম।
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
কলম্বিয়া: বিশ্বকাপকে ‘না’ বলা একমাত্র আয়োজক
ইতিহাসের চাকাটা যদি সামান্য অন্যভাবে ঘুরত? দৃশ্যটা কি এমন হতে পারত না যে, দিয়েগো ম্যারাডোনা তার সেই ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি করছেন কলম্বিয়ার মেদেয়িন শহরের আতানাসিও গিরাদত স্টেডিয়ামে?
১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
যখন এক যুবরাজ খেলা থামিয়ে দিয়েছিলেন: বিশ্বকাপের সবচেয়ে অদ্ভুত হস্তক্ষেপ
প্রিন্স ফাহাদ সেদিন ক্ষণিকের জন্য একটা গোল রুখে দিতে পেরেছিলেন ঠিকই, কিন্তু ফুটবলের চিরায়ত সত্যকে বদলাতে পারেননি। আর ১৯৮২ সালের পর থেকে কুয়েত এখন পর্যন্ত পারেনি বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরতে। সেই 'অভিশপ্ত' মুহূর্তটিই হয়তো তাদেরকে ঠেলে দিয়েছে এক দীর্ঘ বিরহের পথে।
১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
ক্লোসা: শান্ত পদক্ষেপে শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রেখে যাওয়া গোলমেশিন
মুহূর্তটি ছিল বিস্ফোরক, কিন্তু কোনো বাড়তি কায়দায় উদযাপন ছিল না। যেন এটাই স্বাভাবিক ছিল, গোল করবেন, দলের জন্য অবদান রাখবেন, তারপর আবার নীরবে নিজের জায়গায় ফিরে যাবেন। ক্লোসার পুরো ক্যারিয়ারটাই যেন এমন— নিঃশব্দ আর সংযত হলেও নির্মমভাবে কার্যকর।
১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
একটি নক্ষত্রের উদয়: স্বপ্নিল অভিষেকে মেসির গোল ও অ্যাসিস্ট
গেলসেনকির্চেনে জুনের পড়ন্ত বিকালে মেসির 'কল্পিত রূপ' বাস্তবে ধরা দিয়েছিল। বিশ্ব সেদিন শুধু একজন বদলি খেলোয়াড়কে দেখেনি, তারা দেখেছিল বুটের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ হওয়া পৃথিবীর সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি গল্পের সূচনা।
১১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
বিশ্বকাপ অভিষেকের গৌরবগাথা: যখন নবাগতরাই কাঁপিয়ে দিয়েছিল বিশ্বকে
বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে পা রাখাই যেখানে আজন্ম লালিত স্বপ্ন, সেখানে প্রথমবার এসেই বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেওয়াটা বীরত্বগাথার চেয়ে কম কিছু নয়।
৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
সোনালী শিরোপার লড়াই: বিশ্বকাপ ফাইনালের জানা-অজানা
১৯৩০ সালের সেই প্রথম ফাইনাল থেকে ২০২৬ সালের আসন্ন মহারণ— মাঝখানের এই ৯৬ বছরে বিশ্বকাপ ফাইনাল মানেই কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর উন্মাদনার এক মহাকাব্য।
৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
১৬ হলুদ ও ৪ লাল কার্ডের তাণ্ডব: কালজয়ী ‘ব্যাটল অব নুরেমবার্গ’
২০০৬ সালের ২৫ জুন, বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর সেই রাতটি ফুটবল বিশ্ব কোনোদিন ভুলবে না। পর্তুগাল বনাম নেদারল্যান্ডস— কাগজে-কলমে এটি হওয়ার কথা ছিল শৈল্পিক ফুটবলের প্রদর্শনী। কিন্তু ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ইতিহাসে নাম লেখাল ‘ব্যাটল অব নুরেমবার্গ’ হিসেবে।
১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ন
গাজ্জানিগার ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির আদ্যোপান্ত
আধুনিক ট্রফিটি সব সময় এমন ছিল না, ফুটবলের পরম আরাধ্য সম্পদটিরও আছে এক রোমাঞ্চকর ইতিহাস।
৩০ মার্চ ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
হারানো ট্রফি ও এক চতুষ্পদ হিরো: যখন ফুটবল বিশ্বকে বাঁচিয়েছিল ‘পিকলস’
১৯৬৬ সালের সেই বসন্তে ব্রিটিশদের গর্ব তখন আকাশচুম্বী, কারণ প্রথমবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক তারা। কিন্তু ২০ মার্চের অভিশপ্ত বিকেলে পুরো ব্রিটেন যেন এক মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে গেল। ওয়েস্টমিনিস্টারের সেন্ট্রাল হল থেকে চুরি হয়ে গেছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত বস্তু— জুলে রিমে ট্রফি!
২৮ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প: আন্ডারডগদের রূপকথা যখন ইতিহাস বদলায়
মাঠের লড়াইয়ে ফেভারিট তকমা সব সময় কাজে আসে না। তাদের বুক চিতিয়ে লড়াই করার গল্পগুলোই বিশ্বকাপকে অনন্য উচ্চতায় নেওয়ার পথে বহুদূর এগিয়ে নিয়েছে।
১৮ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
ট্রাফিক সিগন্যাল থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে: যেভাবে এলো হলুদ ও লাল কার্ড
এই বৈপ্লবিক উদ্ভাবনটি ছিল ইংলিশ রেফারি কেন অ্যাস্টনের মস্তিষ্কপ্রসূত। পেশায় স্কুলশিক্ষক হলেও মাঠের মাঝখানে বাঁশি হাতে ম্যাচ পরিচালনা করাটা তিনি বেশ উপভোগ করতেন।
১৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন