৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ইমির জামিন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তাকে কেন এই মামলায় স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, সরকারের কাছে তার কারণ জানতে চেয়ে আদালত একটি রুল জারি করেছেন।
জামিন চেয়ে ইমির করা এক আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এই রুল ও জামিনের আদেশ দেন।
হাইকোর্টের আদেশের পর ইমির কারাগার থেকে মুক্তি পেতে কোনো আইনি বাধা নেই বলে দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মুহাম্মদ নোমান হোসেন।
তিনি জানান, ইমি বর্তমানে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
এই আইনজীবী আরও বলেন, হাইকোর্টের আদেশের কপি পাওয়ার পর আমরা ইমির পক্ষে সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতে জামিননামা (বেল বন্ড) জমা দেব। সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে তিনি আগামী রোববার বা সোমবার মুক্তি পেতে পারেন।
চলতি বছরের ৭ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি এবং আরও কয়েকজন শাহবাগ থানার সামনে ওই ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
একটি রিকশায় লাগানো মাইকে ভাষণটি বাজছিল। তখন ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের, মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মুদাসসিরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী এই কর্মসূচিতে বাধা দেন।
এক পর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী জোর করে শেখ তাসনিম আফরোজ এবং আরেকজনকে রিকশাসহ শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান। পরে পুলিশ তাদের সেখানে আটকে রাখে।
এক পর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী জোর করে শেখ তাসনিম আফরোজ এবং আরেকজনকে রিকশাসহ শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান। পরে পুলিশ তাদের সেখানে আটকে রাখে।
পরের দিন শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় আটক তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশ বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেছিল।