পটুয়াখালীতে স্পিডবোটডুবি: বৈরী আবহাওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত

নিজস্ব সংবাদদাতা, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার আগুনমুখা নদীতে স্পিডবোট-ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ পাঁচ জন যাত্রীকে উদ্ধারের কাজ বন্ধ রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ায় নদী প্রচণ্ড উত্তাল থাকায় ও ঝড়বৃষ্টির কারণে আজ শুক্রবার উদ্ধারকাজ চালানো যাচ্ছে না বলে দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মদ।

অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যাত্রী পারাপারের অভিযোগে স্পিডবোট মালিক ও চালকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন পটুয়াখালী নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক খাজা সাদিকুর রহমান।

গতকাল সন্ধ্যায় প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে উত্তাল নদীতে তলা ফেটে ১৮ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট ডুবে যায়। তখন ১৩ জন যাত্রী সাতরে তীরে ওঠতে পারলেও একজন পুলিশসহ পাঁচ যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজ যাত্রীরা হচ্ছেন— রাঙ্গাবালী থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মহিব্বুল্লা (৩৫), মো. কবির (৩০), মোস্তাফিজুর রহমান (৩৫), হাসান (২৫) ও ইমরান (২৫)।

রাঙ্গাবালী থানার ওসি আলী আহম্মদ আজ সকালে বলেন, ‘নিম্নচাপের প্রভাবে ঝড়বৃষ্টি ও নদী প্রচণ্ড উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজ চালানো যাচ্ছে না। রাতে স্থানীরা কয়েকটি ট্রলার নিয়ে নদীতে নিখোঁজদের সন্ধানের চেষ্টা করলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে তা স্থগিত করা হয়।’

তবে, আবহাওয়া অনুকূলে আসলে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা হবে জানান ওসি।

অপরদিকে, পটুয়াখালী নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক খাজা সাদিকুর রহমান শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, ‘নিম্নচাপ ও ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে বুধবার থেকে জেলার সব অভ্যন্তরীণ রুটে ৬৫ ফুট দৈর্ঘ্যের সকল নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, নিষেধাজ্ঞা উপক্ষো করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রুটটিতে স্পিডবোট চালানো হয় এবং তখন দুর্ঘটনা হয়।’

এ ঘটনায় জড়িত স্পিডবোট মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘ওই রুটটিতে ১২টি স্পিডবোটি চলাচল করে।’