আইপিএল ২০২৬

‘ও আমার নতুন প্রিয় খেলোয়াড়’, সূর্যবংশীকে নিয়ে কামিন্স

স্পোর্টস ডেস্ক

প্যাট কামিন্সের যে বছর টেস্ট অভিষেক, সেই ২০১১ সালে জন্মান বৈভব সূর্যবংশী। বয়সের পার্থক্য তো পরিষ্কারই। ভারতের ১৫ পেরোনো ব্যাটারকে এতদিন দূর থেকে দেখলেও এবার কাছ থেকে তার ঝাঁজ পেলেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। প্রথম দেখাতেই প্রিয় খেলোয়াড়ের তালিকায় সূর্যবংশীকে ঢুকিয়ে নিয়েছেন তিনি।

শনিবার আইপিএলে কামিন্সের দলের বিপক্ষে ৩৬ বলে সেঞ্চুরি করেন বাঁহাতি ব্যাটার। ১২ ছক্কায় ৩৭ বলে ১০৩ রান করে আউট হন। আইপিএলে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ২৬ ম্যাচ খেলেই চারটা সেঞ্চুরি হয়ে গেছে সূর্যবংশীর। এত কম ইনিংসে এত সেঞ্চুরি নেই আর কারও।

কিশোর বয়সে থাকা ব্যাটারের হাতে মার খেয়েছেন কামিন্সও। সূর্যবংশীর সেঞ্চুরিতে রাজস্থান রয়্যালস ২২৮ রান করেছিল, যদিও ইশান কিশান, অভিষেক শর্মাদের ঝড়ে ম্যাচ জিতেছে কামিন্সদের সানরাইজার্স।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে চোট কাটিয়ে ফেরা সানরাইজার্স অধিনায়ক প্রশংসায় ভাসালেন সূর্যবংশীকে, ‘আমার মনে হয় ও আমার নতুন প্রিয় খেলোয়াড়। ও বল খুব জোরে মারে। তার খেলা দেখা সত্যিই দারুণ, বেশ আনন্দদায়ক।’

সূর্যবংশীর কাছে চার-ছক্কা পেটানো যেন তুড়ি মারার মতো। তার ব্যাটিংয়ে অনেকে ধন্দে পড়ে যান, সত্যিকারের খেলা চলছে নাকি ভিডিও গেমস! কামিন্সের পর্যবেক্ষণ হলো তার বিপক্ষে খুবই সতর্ক হয়ে বল করতে হবে সবাইকে, একটু এদিক-ওদিক হলেই বল আছড়ে পড়বে সীমানার ওপারে, ‘একজন বোলার হিসেবে আপনাকে একদম নিখুঁত বল করতে হবে, কারণ আপনি যদি তা না পারেন, তবে বল অনেক দূরে গিয়ে পড়বে। ও সত্যিই অসাধারণ। তার ক্যারিয়ারের শুরুটা দারুণ হয়েছে এবং তার খেলার ধরন আমার বেশ পছন্দ।’