টেস্টের প্রস্তুতি হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় ওয়ানডে খেলবেন কামিন্স
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজকে টেস্টের প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবে দেখছেন প্যাট কামিন্স। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে হতে যাওয়া এই সফরে তার 'সঙ্গী' হতে পারেন মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডও।
২০২৩ সালে আহমেদাবাদে ভারতকে হারিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের পর অজিদের নিয়মিত ওয়ানডে অধিনায়ক কামিন্স এই ফরম্যাটে খেলেছেন মাত্র দুটি ম্যাচ। এই সময়ে তার অনুপস্থিতিতে স্টিভ স্মিথ, মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিশদের দেখা গেছে অধিনায়কের ভূমিকায়।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে ১৫, ১৮ ও ২০ সেপ্টেম্বর জিম্বাবুয়েতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। তবে এই সিরিজে কামিন্সকে নাও দেখা যেতে পারে। সফরটি নিয়ে কামিন্স স্পষ্ট জানান, সাদা বলের এই ম্যাচগুলো মূলত লাল বলের প্রস্তুতির জন্য কাজে লাগানো হবে। সব মিলিয়ে ছয়টি ওয়ানডে থেকে সর্বোচ্চ দুই বা তিনটি ম্যাচে খেলতে পারেন তিনি।
তবে কেবল টেস্ট সিরিজই নয়, এই পরিকল্পনার পেছনে রয়েছে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ভাবনাও। পরবর্তী বিশ্বকাপের মূল আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা, আর কিছু ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায়। তাই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার একটি সুযোগও থাকছে।
বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ শেষ করে অজি পেসাররা বেশ চাঙ্গা অবস্থায় আছেন। সফরকারীদের দ্রুত অলআউট করে দেওয়ায় বোলারদের ওপর বাড়তি কোনো ধকল যায়নি।
৩০ সেপ্টেম্বর পচেফস্ট্রুমে শেষ ওয়ানডে ম্যাচের পর একই মাঠে ৩ ও ৪ অক্টোবর দুদিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। এরপর ডারবানে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট।
২০১৮ সালের আলোচিত 'স্যান্ডপেপার গেট' বিতর্কের পর এটিই হতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টেস্ট সিরিজ। যদিও মাঝে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে সেখানে গিয়েছিল তারা।
দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশন নিয়ে কামিন্স জানান, ডারবান থেকে কেপটাউন—একেক ভেন্যুর উইকেট একেক রকম। তবে চ্যালেঞ্জিং কন্ডিশন ও ভিন্ন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়াটাই টেস্ট ক্রিকেটের আসল সৌন্দর্য।
জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দল আগামী সপ্তাহেই ঘোষণা করার কথা রয়েছে। আর টেস্ট দলটি ঘোষণা করা হতে পারে সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে।