রংপুরে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, সড়কে পড়েছিল মরদেহ

নিজস্ব সংবাদদাতা, লালমনিরহাট

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় এক তরুণকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। 

গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার চরচতুরা গ্রামের একটি সড়ক থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত তরুণের নাম আবু সিদ্দিক (৩৫)। তিনি কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ ইউনিয়নের পল্লীমারী হকের বাজার এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে। তিনি খাদ্যপণ্যের ব্যবসা করতেন।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যার পর সিদ্দিক বাড়ি থেকে বের হয়ে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মিলন বাজারে যান। ওই বাজারের পাশেই কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার শেষ সীমানায় চরচতুরা গ্রাম।

রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, ওই গ্রামের একটি নির্জন সড়কে সিদ্দিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছে।

নিহতের চাচাতো ভাই মজমুল হক বলেন, বাজারে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, পাশেই একটি মাঠে বসে সিদ্দিক কারও সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলার সময় বাগবিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন। এরপর কে বা কারা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে নির্জন স্থানে ফেলে যায়। তবে কার সঙ্গে তার বিরোধ হয়েছিল, তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

রংপুর মহানগর পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুণের  গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে।

হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি স্বজন ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের আগে কার সঙ্গে সিদ্দিকের যোগাযোগ হয়েছিল এবং তার মুঠোফোনে কারো সঙ্গে বিরোধের বিষয়টি ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।