জয়-মেহেদীর ঝড়ো ব্যাটিংয়ের পর আমির জামালের তোপ

By ক্রীড়া প্রতিবেদক
7 January 2026, 15:53 PM
UPDATED 7 January 2026, 22:02 PM

তিনে নেমে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ভিত শক্ত করেন অ্যাডাম রজিংটন। আর শেষ দিকে শেখ মেহেদী হাসানের টর্নেডো ইনিংসে দুইশোর কিনারে যায় চট্টগ্রাম। বিশাল রান তাড়ায় জবাব দিতে নেমে পাকিস্তানি পেসার আমির জামালের বোলিং তোপে পড়ে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার রাতের ম্যাচটি ছিল রান উৎসবের। চট্টগ্রাম রয়্যালসের দেওয়া ১৯৯ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সিলেট ১৮৪ রানে থমকে যায়। ১৪ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামের পক্ষে রজিংটন ৩৮ বলে সর্বোচ্চ ৪৯ রান করলেও, জয়ের ২১ বলে ৪৪ এবং শেখ মেহেদীর ১৩ বলে ৩৩ রানের ক্যামিও ইনিংসগুলোই বড় সংগ্রহে মূল ভূমিকা রাখে। বল হাতে ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে সিলেটের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন আমির জামাল।

এই জয়ে ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠল চট্টগ্রাম। এক ম্যাচ বেশি খেলে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তিনে সিলেট টাইটান্স।  

বিশাল রান তাড়ায় শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট। দ্বিতীয় ওভারেই পারভেজ হোসেন ইমনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন আবু হায়দার রনি। আরেক ওপেনার তৌফিক খান তুষার ২৩ রান করে আমিরের প্রথম শিকারে পরিণত হন। এরপর তিনে নামা রনি তালুকদারকেও (২৬) বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান এই পাকিস্তানি পেসার।

সিলেটের বড় ভরসা মঈন আলি এদিন ব্যর্থ হন। ব্যক্তিগত ১২ রানে হাসান নাওয়াজের বলে বোল্ড হন এই ইংলিশ অলরাউন্ডার। ৭৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলকে পথ দেখাতে পারতেন আজমাতুল্লাহ ওমরজাই, কিন্তু তাকেও ফিরিয়ে দেন আমির। পরে মেহেদী হাসান মিরাজের উইকেট তুলে নিয়ে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নিজের ৫০তম উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। শেষ দিকে খালেদ আহমেদ ৯ বলে ২৫ রানের ইনিংস খেলে কেবল পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নাঈম শেখ (১৮) দ্রুত ফিরলেও রজিংটন ও জয়ের ৬০ রানের জুটি চট্টগ্রামকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যায়। জয় মাত্র ২১ বলে ৪টি ছক্কায় ৪৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। রজিংটন আউট হন ৪৯ রানে। মাঝপথে হাসান নাওয়াজের ২০ বলে ২৫ রানের পর অধিনায়ক শেখ মেহেদীর ৫ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো ৩৩ রানের ইনিংসে ভর করে ১৯৯ রানের পাহাড় গড়ে চট্টগ্রাম।