বিচ্ছিন্ন সহিংসতার মধ্যেও দ্বিতীয় দফায় ভোট পড়ল ৯১ শতাংশের বেশি
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় বিচ্ছিন্ন সহিংসতার মধ্যেও সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৯১ দশমিক ৪১ শতাংশ ভোট পড়েছে।
আজ বুধবার সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচ্ছিন্ন সহিংসতার পাশাপাশি অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং ইভিএম কারচুপির আশঙ্কা করছেন ভোটাররা।
পশ্চিমবঙ্গের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, কোনো ভোটকেন্দ্রে ইভিএম কারচুপির প্রমাণ পাওয়া গেলে সেখানে পুনরায় ভোটগ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
দ্বিতীয় দফায় সাত জেলার ১৪২টি আসনে মোট ভোটার প্রায় ৩ কোটি ২১ লাখ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনকে তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) জন্য গুরুত্বপূর্ণ ‘অগ্নিপরীক্ষা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এই পর্যায়ে ভোট দক্ষিণবঙ্গ ও কলকাতার মতো দলের ঐতিহ্যগত শক্ত ঘাঁটিতে প্রবেশ করেছে।
আজ ভোটগ্রহণ হয় উত্তর ২৪ পরগনা (৩৩ আসন), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৩১ আসন), নদিয়া (১৭ আসন), হাওড়া (১৬ আসন), কলকাতা (১১ আসন), হুগলি (১৮ আসন) এবং পূর্ব বর্ধমান (১৬ আসন)।
দ্য হিন্দু জানায়, ভবানীপুর, হুগলি এবং উত্তর চব্বিশ পরগনায় বিচ্ছিন্ন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। তিন জেলাতেই তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নির্বাচনের এই পর্যায়ে রাজ্যের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দুজনেই ভবানীপুর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এটি নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দ্য হিন্দু জানায়, তৃণমূল সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের মধ্যে কলকাতা পোর্ট থেকে ফিরহাদ হাকিম, টালিগঞ্জ থেকে অরূপ বিশ্বাস, শ্যামপুকুর থেকে শশী পাঞ্জা এবং দমদম থেকে ব্রাত্য বসুও এই দফায় ভোটযুদ্ধে রয়েছেন।