ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার, মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী সাগর দোষ স্বীকার করেননি।
৩ দিন রিমান্ড শেষে আজ রোববার তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন জানায়।
নেত্রকোণা কোর্টের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নেত্রকোণার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম অভিযুক্ত সাগরের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ২৩ এপ্রিল সাগরসহ দুজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় ধর্ষণ মামলা করেন ওই শিশুর মা।
গত ৫ মে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৪। গত বৃহস্পতিবার সাগরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বছরের ২ অক্টোবর বিকেলে ক্লাস শেষ হওয়ার পর সাগর ওই শিশুকে মাদ্রাসা সংলগ্ন মসজিদে ঝাড়ু দিতে বলেন। ততক্ষণে অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বাড়িতে চলে যায়। সাগর ওই শিশুকে তার কক্ষ পরিষ্কার করতে বলেন। শিশুটি কক্ষে ঢুকলে তিনি তাকে ধর্ষণ করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, শিশুটি চিৎকার করলে সাগর তাকে মারধর ও মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। এরপর মসজিদের বারান্দা সংলগ্ন একটি কক্ষে ও শ্রেণিকক্ষে ওই শিশুকে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করা হয়।
গত ১৮ এপ্রিল শিশুটির মা হঠাৎ করে তার শারীরিক পরিবর্তন দেখে তাকে স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক জানান শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।