বিপিএলে দুর্নীতি: চার জনের বিরুদ্ধে চার্জ, একজন বহিষ্কার

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত তদন্তে চারজনের বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী আচরণবিধির (কোড) বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ইন্টিগ্রিটি ইউনিট। তদন্তে অবৈধ বেটিং কার্যক্রম, দুর্নীতিমূলক যোগাযোগ, তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে অসহযোগিতা এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য ও বার্তা গোপন করা বা মুছে ফেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের ম্যানেজার লাবলুর রহমান এবং নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ-মালিক তৌহিদুল হক তৌহিদ। তাদের দুজনের বিরুদ্ধে কোডের ধারা ২.৪.৬ ও ২.৪.৭-এ অভিযোগ আনা হয়েছে। অর্থাৎ ডেজিগনেটেড অ্যান্টি-করাপশন অফিশিয়ালের তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়া, যার মধ্যে রয়েছে প্রাসঙ্গিক যোগাযোগ ও তথ্য গোপন করা বা মুছে দেওয়া।

এ ছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং সিলেট টাইটান্সের ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকের বিরুদ্ধে কোডের ধারা ২.২.১ অনুযায়ী ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল বা অগ্রগতি সংক্রান্ত বিষয়ে অবৈধ বেটিংয়ে অংশগ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে। চার্জপ্রাপ্ত সকলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং চার্জ নোটিশ পাওয়ার পর ১৪ দিনের মধ্যে অভিযোগের জবাব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে বিসিবি তার 'এক্সক্লুডেড পার্সন পলিসি'র আওতায় সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে বহিষ্কার আদেশ জারি করেছে। বিপিএলের নবম, দশম ও একাদশ আসর ঘিরে পরিচালিত তদন্তে রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ বেটিং কার্যক্রম, খেলোয়াড় ও এজেন্টদের কাছে দুর্নীতিমূলক প্রস্তাব, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বেটিং এবং দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং ম্যাচে দুর্নীতিমূলক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, সামিনুর নিজে থেকেই বহিষ্কার আদেশের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার অধিকার পরিত্যাগ করেন এবং আদেশটি মেনে নেন।