সাকার গোলে ২০ বছরের খরা কাটিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আর্সেনাল
দীর্ঘ ২০ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। বুকায়ো সাকার দারুণ এক গোলে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল। মঙ্গলবার রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে উৎসবের আমেজে এই জয় নিশ্চিত করে মিকেল আর্তেতার দল।
গত সপ্তাহে মাদ্রিদে প্রথম লেগের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ফাইনালে পা রাখল লন্ডন জায়ান্টরা। আগামী ৩০ মে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে শিরোপার লড়াইয়ে তারা মুখোমুখি হবে পিএসজি অথবা বায়ার্ন মিউনিখের।
ম্যাচের শুরুতেই কিছুটা চাপে ছিল আর্সেনাল।অ্যাতলেটিকোর জুলিয়ান আলভারেজ ও সিমিওনে গোলের সুযোগ তৈরি করলেও লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হন। তবে ম্যাচের ৪৪ মিনিটে স্টেডিয়ামকে উল্লাসে মাতান বুকায়ো সাকা। লিয়েন্দ্রো ট্রোসার্ডের শট অ্যাতলেটিকো গোলরক্ষক ওবলাক ঠিকমতো ঠেকাতে না পারলে ফিরতি বলে গোল করেন সাকা। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও আর্সেনালের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক ডেভিড রায়া তা রুখে দেন।
আর্সেনালের জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মৌসুম হতে যাচ্ছে। একদিকে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জয়ের দৌড়ে তারা শীর্ষে, অন্যদিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল। ২০০৬ সালে শেষবার ফাইনালে উঠলেও বার্সেলোনার কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল তাদের। এবার সেই আক্ষেপ মোচনের পালা।
প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটি পয়েন্ট হারানোয় সুবিধা এখন আর্সেনালের হাতে। ওয়েস্ট হ্যাম, বার্নলি এবং ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে বাকি তিনটি ম্যাচ জিতলেই লিগ চ্যাম্পিয়ন হবে তারা। আর সেটি করতে পারলে আর্তেতার এই বর্তমান প্রজন্ম ২০০৪ সালের অপরাজেয় ‘ইনভিন্সিবলস’ দলকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
দীর্ঘ দুই দশক ধরে যারা ‘চোকার’ বা ‘মানসিকভাবে দুর্বল’ বলে টিপ্পনী কাটতেন, তাদের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার খুব কাছাকাছি গানাররা।