৪ ফরোয়ার্ড না ৩ মিডফিল্ডার, উত্তর খুঁজছেন আনচেলত্তি

স্পোর্টস ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন কার্লো আনচেলত্তি। এই জয়েই যে ব্রাজিলের সব প্রশ্নের উত্তর মিলেছে, তা মনে করছেন না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কোচ। বরং জয় তুলে নেওয়ার পরও তার ভাবনায় দলের কৌশল। চার ফরোয়ার্ডের বদলে তিন মিডফিল্ডার নিয়ে খেলানোর পরীক্ষা কতটা কার্যকর হয়েছে, সে সিদ্ধান্তও এখনই দিতে চান না তিনি। আপাতত দুই কৌশলই ধরে এগোতে চান আনচেলত্তি।

ব্রিসবেনে মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। শুরুতে এগিয়ে গিয়েও একপর্যায়ে পিছিয়ে পড়েছিল তারা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন ভানদারসন, রাফিনিয়া, ব্রুনো গিমারেস ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। গত শুক্রবার দুই দলের প্রথম ম্যাচটি ড্র হয়েছিল ১-১ গোলে।

জয়ের পর আনচেলত্তির কণ্ঠেও ছিল স্বস্তি। তবে পুরো ম্যাচ যে নির্বিঘ্ন ছিল না, সেটিও স্বীকার করেছেন তিনি, ‘ম্যাচটা ভালো ছিল। আমাদের কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়েছে, তবে আমরা ভালো মানের ফুটবলও খেলেছি। ওরাও ভালো ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছে। সত্যি বলতে, ম্যাচে আমাদের কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়েছে। আমরা ভালো শুরু করেছিলাম, এরপর কিছুটা গতি কমে যায়। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দল যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, সেটা আমার ভালো লেগেছে। তৃতীয় গোলটি ছিল দুর্দান্ত, অসাধারণ সমন্বয় থেকে গোলটি হয়েছে। আমরা খুশি।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের তুলনায় এবার কৌশলেও পরিবর্তন এনেছিলেন আনচেলত্তি। আগের ম্যাচে চার ফরোয়ার্ড নিয়ে খেললেও এবার মাঝমাঠে একজন বাড়ান তিনি। দানিলো, ব্রুনো গিমারেস ও গ্যাব্রিয়েল বন্তেপ্পোকে নিয়ে তিন মিডফিল্ডারের কাঠামোতে খেলেছে ব্রাজিল।

তবে এই কৌশলই দলের জন্য বেশি কার্যকর কি না, সেটি এখনই বলার সময় হয়নি বলে মনে করেন আনচেলত্তি, ‘আমি জানি না এটা বেশি ভালো কাজ করেছে কি না। কোন কৌশল সবচেয়ে ভালো, এখনই সেটা বলার সঠিক সময় বলে মনে করি না। আমাদের দলে এমন অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় আছে, যাদের নিয়ে প্রথম ম্যাচের কৌশল নিয়েও কাজ চালিয়ে যেতে পারি, আবার এই কৌশল নিয়েও কাজ করতে পারি।’

মাঝমাঠে তরুণদের আরও সুযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও দেখছেন ব্রাজিল কোচ, ‘এই মুহূর্তে তরুণ মিডফিল্ডারদের কাছ থেকে আমাদের খুব বেশি অবদান আসছে না। তাই ব্রেনো, আজ যে গ্যাব্রিয়েল খেলল, তাদের দেখব। মাঝমাঠে অন্য তরুণ খেলোয়াড়রাও নিজেদের সামর্থ্য দেখাতে পারে কি না, সেটাও দেখব।’

তাই সামনে দুই ধরনের কৌশল নিয়েই কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আনচেলত্তির, ‘আমাদের পরিকল্পনা খুব পরিষ্কার। আমরা দুই ধরনের কৌশল নিয়েই কাজ করব, চার ফরোয়ার্ডের কৌশল এবং তিন মিডফিল্ডারের কৌশল।’